Main Menu

চুনারুঘাটে কিশোরীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, নারীসহ গ্রেপ্তার ২

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পরিবারের লোকজনের সাথে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বাসিন্দা কিশোরী (১৫)। পথে দেখা হয় পাশের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার আয়েশা খাতুনের সাথে। আয়শা কাজ দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায় এক ভাড়া বাসায়। এরপর সেখানে রেখে ওই কিশোরীকে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করেন আয়শা।

এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাতে ওই কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। গত বুধবার (১৬ মার্চ) বিকেলে ওই কিশোরী তার বাড়ি থেকে বের হয়।

Manual3 Ad Code

এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে শুক্রবার (১৮ মার্চ) রাতে চুনারুঘাট থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নারীসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

Manual4 Ad Code

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার দুধপাতিল এলাকার আব্দুস সামাদ ওরফে লুদাই মিয়ার ছেলে কামরুল (২৫) ও ডেউয়াতলী গ্রামেন তৌফিক মিয়ার স্ত্রী আয়েশা খাতুন(৪৮)।

এদিকে শনিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ফারুক আহমেদের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে প্রধান আসামি কামরুল। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত বিকেলে কামরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রধান আসামি কামরুলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বিষয়টি নিশ্চিত করে চুনারুঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) চম্পক দাম বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ওই কিশোরী অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আয়েশার নিকট আশ্রয় নেয়। সে (আয়শা) কাজ দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে। কিন্তু কাজ না দিয়ে আয়েশা কিশোরীকে আটকে রেখে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করে।’

Manual8 Ad Code

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আয়েশা খাতুন গত বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) আব্দুল হান্নান নামের এক ব্যক্তির কাছে ওই কিশোরীকে ৩ হাজার টাকার চুক্তিতে বিক্রি করে। এরপর আব্দুল হান্নান কিশোরীকে তার পূর্ব পরিচিত দুধপাতিল গ্রামের কামরুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে স্থানীয় টমটমচালক আব্দুর রহমানের মাধ্যমে দুধ পাতিল গ্রামের পূর্ব দিকে ছড়ার পাড়ে নিয়ে কামরুল, আব্দুল হান্নান, আব্দুর রহমান, নাসীরসহ আরও কয়েকজন ওই কিশোরীকে রাতভর জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ফেলে যায়। শুক্রবার (১৮ মার্চ) সকালে স্থানীয় লোকজন কিশোরীকে কান্নাকাটি করতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে কিশোরীর মা বাদী হয়ে কামরুলকে প্রধান আসামি করে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর রাতেই চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আশরাফের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) চম্পক দামসহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত কামরুলকে গ্রেপ্তার করে। পরে কামরুলের দেওয়া তথ্যমতে শনিবার সকালের দিকে আয়েশা খাতুনকে শায়েস্তাঞ্জের পুরানবাজার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।

Manual1 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code