Main Menu
শিরোনাম
শাবির ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন, ভিসির পদত্যাগ দাবি         মধ্যরাতেও ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল শাবি         শাবিপ্রবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা         তাহিরপুরে অবৈধ কোয়ারীর মাটি চাপায় শ্রমিককের মৃত্যু         শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থি-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৩০         বিয়ানীবাজারে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ১জনের মৃত্যু         ‘সম্পত্তির লোভে ছেলে-পুত্রবধূর ষড়যন্ত্রে দিশেহারা সৌদিফেরত জমসেদ আলী’         কানাইঘাটে সাংবাদিকের হাত-পায়ে কুপিয়েছে সন্ত্রাসীরা         শাবির উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থিরা         সিলেটে একদিনে আরো ১৪৮ জনের করোনা শনাক্ত         ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা শাবি শিক্ষার্থীদের         বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ‘ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ১        

গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারকে হয়রানী করা হচ্ছে: আসক

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : বিভিন্ন সময় গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারকে হয়রানি করা হচ্ছে দাবি করে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) গুমের শিকার ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারী) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা একথা জানায়।

এতে বলা হয়, বিভিন্ন সূত্র থেকে আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানতে পেরেছে যে, বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গত কিছুদিন ধরে নানাভাবে যোগাযোগ করছেন এবং নানা ধরণের প্রশ্ন বা তথ্য জানতে চাওয়ার মাধ্যমে তাদের হয়রানি করছেন। একই সঙ্গে পরিবারগুলোর কাছ থেকে জোর করে লিখিত কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে যেখানে লেখা রয়েছে, উক্ত ব্যক্তি গুমের শিকার হননি, তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন আচরণ সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকা এসব ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা ও জড়িতদের চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা জোরদার করার পরিবর্তে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ ধরণের তৎপরতা অগ্রহণযোগ্য। গুমের শিকার এসব পরিবার দীর্ঘ সময় ধরে স্বজনদের ফেরার প্রতীক্ষায় রয়েছেন, প্রতিটি মুহূর্ত তারা নানা নিরাপত্তাহীনতা আর ভীতির মধ্যে রয়েছেন, এভাবে তাদের হয়রানি করার ফলে তারা আরও বেশি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। এ ধরণের তৎপরতা প্রকৃতপক্ষে গুমের শিকার ব্যক্তিদের খোঁজার ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি স্পষ্ট করে তুলছে।

আসক দীর্ঘদিন ধরে বলে এসেছে যে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার না করে সেগুলো আমলে নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চালানো আবশ্যক। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ ধরণের আচরণ প্রকৃতপক্ষে দেশের নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার ও মানবাধিকার খর্ব করছে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি খর্ব হওয়ার পথ তৈরি করছে।

0Shares





Related News

Comments are Closed