Main Menu
শিরোনাম
হবিগঞ্জ সদরে ৪ ইউপিতে আ.লীগ, বাকি চারে অন্যরা         শান্তিগঞ্জে ২টিতে নৌকা, বাকি ৬টিতে অন্যরা জয়ী         সুনামগঞ্জে সবক’টি ইউনিয়নে নৌকার ভরাডুবি         সিলেটে ৯ ইউপিতে নৌকার জয়, বিদ্রোহীসহ অন্যরা ৭         সিকৃবিতে প্যারাসাইট রিসোর্স ব্যাংক উদ্বোধন         ছাতকে ক্রাশিং চুনাপাথর বিক্রি বন্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ         কমলগঞ্জে বসতঘর থেকে তরুনীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার         মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহির মৃত্যু         বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি         সিলেটের ১৬ ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ চলছে         জৈন্তাপুরে ফ্রি সুন্নতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্টিত         সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে কাজ করছে ক্যাপ ফাউন্ডেশন        

কক্সবাজারে আটক ব্যক্তিই কুমিল্লার সেই ইকবাল

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লার ঘটনায় জড়িত সন্দেহ কক্সবাজারে আটক ব্যক্তিই সিসিটিভি ক্যামেরায় শনাক্ত হওয়া ইকবাল বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ।

তিনি জানান, আমাদের টিম কক্সবাজারে গিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করেছে। আটক ব্যক্তিই কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রেখেছেন। তাকেই সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত করা হয়েছে।

আটক ইকবাল কুমিল্লা নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ড সুজানগর এলাকার মাছ বিক্রেতা নূর আলমের ছেলে।

এদিকে পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরীফ রাখার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে এসে পৌঁছায় তাকে বহনকারী মাইক্রোবাস। এর আগে তাকে নিয়ে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লার পথে রওনা হয় পুলিশ।

এরআগে বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইকবাল সন্দেহে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে একজনকে আটক করা হয়। পরে কুমিল্লার পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেন যে আটক ওই ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল।

এর আগে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার ভোরে অভিযুক্ত ইকবালকে নিয়ে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশের একটি দল।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লা থেকে পুলিশের একটি টিম কক্সবাজার পৌঁছায়। প্রাথমিক আইনি কার্যক্রম শেষে আটক ব্যক্তিকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর সাড়ে ৬টার দিকে কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও কুমিল্লা পুলিশের নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে তাকে কুমিল্লায় পাঠানো হয়।’

তবে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে ইকবাল কী তথ্য দিয়েছেন সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে অভিযানে থাকা একজন পুলিশ জানান, সৈকতের বালিয়াড়িতে ঘোরাফেরা করছিলেন ইকবাল সন্দেহে আটক ওই ব্যক্তি। পরে তাকে সৈকত থেকে আটক করে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে সে কোনো হোটেলে ওঠেনি।

উল্লেখ্য, শারদীয় দুর্গাপূজার মহা অষ্টমীর দিন গত বুধবার (১৩ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা শহরের নানুয়াদিঘির উত্তরপাড়ে দর্পণ সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন দেখা যায়। এরপর কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে ওই মণ্ডপে হামলা চালায় একদল লোক। সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।

ওই ঘটনায় প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজে ইকবাল নামের এক ব্যক্তিকে দেখা যায়। সিসিটিভি’র সে ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন কীভাবে, কখন মসজিদে যান এবং বের হন। এরপর মণ্ডপের দিকে যান এবং মণ্ডপ থেকে গদা হাতে ফেরেন তা ফুটেজে অনেকটা স্পষ্ট।

0Shares





Related News

Comments are Closed