Main Menu

দুই স্ত্রী থাকার পরও হাজং গৃহবধূকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তার

তাহিরপুর প্রতিনিধি: হাজং গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলায় রাশিদ মিয়া (৪৬) নামে এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে পুলিশী হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানায় ধর্ষণ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

রাশিদ তাহিরপুর উপজেলার উওর বড়দল ইউনিয়নের সীমান্ত গ্রাম রাজাই’র আবুল কালামের ছেলে। তিনি চার সন্তানের জনক ও বাড়িতে তার দুই স্ত্রী রয়েছেন।

এর আগে শনিবার সকালে উপজেলার রাজাই গ্রাম সংলগ্ন রাজাই সীমান্ত ছড়া লাগোয়া পাহাড়ি জঙ্গলে ক্ষুদ্র নৃ-তাাওি¦ক জনগোষ্ঠীর এক হাজং গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

শনিবার রাতে ভোক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন।

ভোক্তভোগীর পরিবার ও মামলা সুত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে ভারী বৃষ্টিপাতের সময় রাজাই গ্রাম সংলগ্ন রাজাই সীমান্ত ছড়ায় এক হাজং গৃহবধূ (২৩) গোসলে যান। একই ছড়ায় গোসলের অজুহাতে সাবান চাইতে গিয়ে একই গ্রামের রাশিদ হাজং গৃহবধূকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে ছড়ার পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি জঙ্গলে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যান। এরপর গৃহবধূ বাড়ি ফিরে পরিবার ও সম্প্রদায়ের লোকজনকে ধর্ষণের ঘটনাটি জানান।

রবিবার ভোক্তভোগীর মা ও মামলার বাদী জানান, সীমান্ত ছড়ায় গোসলে যাবার পর পাহাড়ি জঙ্গলের অদূরে ঘটনার সময় ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে নিজের সম্ভ্রম বাঁচাতে আমার মেয়ে কান্নাকাটি ও চিৎকার করলেও পরিবার কিংবা গ্রামবাসী তা শুনতে পাননি। রাশিদের নামে থানায় মামলা করেছেন বলে জানান তিনি।

উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম জানান, বিষয়টি খুবই ন্যাক্কার জনক, এ ধরণের ঘটনার যাতে পূন:রাবৃক্তি না ঘটে সেজন্য ধর্ষকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ তরফদার জানান, অভিযুক্ত আসামীকে রবিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রততম সময়ের মধ্যে আদালতে অভিযোগ পত্র (চার্জশীট) দেয়ার মাধ্যমে অপরাধীর সর্ব্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানান ওসি।

Share





Related News

Comments are Closed