Main Menu
শিরোনাম
ছাতকে পিকআপের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু         শ্রীমঙ্গলে বার্ড পার্ক থেকে চারটি বন্যপ্রাণী উদ্ধার         গোলাপগঞ্জে ৩৩ কেন্দ্রে দেয়া হবে করোনার টিকা         শাহজালাল সার কারখানার ৩৯ কোটি টাকা আত্মসাত, দুদকের মামলা         সিলেটে জেলা-ব্র্যান্ডিং নিয়ে অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মশালা         গোলাপগঞ্জে ফ্রি অক্সিজেন সার্ভিসের উদ্বোধন         সেই প্রবাসী নারী লন্ডনের উদ্দেশ্যে সিলেট ছেড়েছেন         জগন্নাথপুরে স্বামীর মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যে স্ত্রীর মৃত্যু         গোলাপগঞ্জের শায়খ আব্দুল কুদ্দুছ আর নেই         সিলেটে করোনায় রেকর্ড ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৭১৫         ভোলাগঞ্জ দিয়ে ফের ভারত থেকে আসবে পাথর         বিশ্বনাথে বাঁশের সাঁকো আর সেতু হয় না        

সিলেটে শিশু সাঈদ হত্যা: তিন আসামির মৃত্যুদন্ড বহাল

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট নগরীর শাহ মীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শিশু আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল খারিজ করে মঙ্গলবার (২২ জুন) রায় দেন বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আসামিরা হলেন-বরখাস্ত হওয়া পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিব ও পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা।

এ মামলায় আদালতে পুতুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাকিবের পক্ষে আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা এবং আতাউর রহমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো.সিদ্দিকুর রহমন।

২০১৫ সালের ১১ মার্চ সিলেট নগরীর শাহ মীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র আবু সাঈদ (৯) অপহৃত হয়। অপহরণের তিনদিন পর ১৪ মার্চ নগরীর ঝর্ণারপাড় সোনাতলা এলাকায় পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে আবু সাঈদের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মোশাররফ হোসেন।

চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন- সিলেটের বিমানবন্দর থানার সাবেক কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিব, পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা ও ওলামা লীগ নেতা মাহিব হোসেন মাসুম।

নিহত আবু সাঈদ সিলেট নগরীর রায়নগর শাহ মীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ও রায়নগর দর্জিবন্দ বসুন্ধরা ৭৪ নম্বর বাসার আব্দুল মতিনের ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার এরালিয়া বাজারের খশিলা এলাকায়।

বিচার শেষে একই বছরের ৩০ নভেম্বর মাসুমকে খালাস দিয়ে বাকি তিনজনকে মৃত্যদণ্ড দেন সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রশিদ। পরে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। অপরদিকে আসামিরা আপিল করেন। সেই রায়ের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিলে আবেদন শুনানি শেষে আজ এ রায় ঘোষণা করা হলো।

আদালত সূত্র জানায়, শিশু সাঈদ হত্যা মামলায় ৩৭ জন সাক্ষীর বিপরীতে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। গত ১৭ নভেম্বর চার্জগঠনের মাধ্যমে শিশু সাঈদ হত্যা মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

২০১৫ সালের ১১ মার্চ নগরীর শাহ মীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র আবু সাঈদ (৯) অপহৃত হয়। অপহরণের তিন দিন পর ১৪ মার্চ নগরীর ঝর্ণারপাড় সোনাতলা এলাকায় পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের বাসার ছাদের চিলেকোটা থেকে আবু সাঈদের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর এই মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার ওসি মোশাররফ হোসেন।

0Shares





Related News

Comments are Closed