Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে দুই কমিউনিটি সেন্টারকে জরিমানা         কমলগঞ্জে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ইমাম আটক         সাংবাদিক মারুফ হাসানের পিতার ইন্তেকাল         বিশ্বনাথে খাল-বিলে অবাধে পোনা নিধন         সিলেট-৩ আসনকে নান্দনিক করতে সবাইকে নিয়ে কাজ করব : হাবিব         দক্ষিণ সুরমায় অসুস্থ বৃদ্ধের জায়গা আত্মসাতের চেষ্টা         কমলগঞ্জে ফ্যানের আঘাতে চা শ্রমিকের মৃত্যু, শ্রমিকদের কর্মবিরতি         সিলেটে আইনজীবী আনোয়ারের লাশ কবর থেকে উত্তোলন         সিলেটে করোনায় আরো৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৮         গোয়াইনঘাটে একই পরিবারের ৩জনকে গলাকেটে হত্যা         শ্রীমঙ্গলের সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় নারী আটক         সিলেটে অটোরিকশায় যুবতিকে ‘গণধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ২        

যে পদ্ধতিতে হবে শাবির সেমিস্টার ফাইনালের নম্বর বন্টন

শাবি প্রতিনিধি : করোনা মহামারীর কারণে আটকে থাকা বিভিন্ন বর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ ক্ষেত্রে অনার্স এবং মাস্টার্স শেষ বর্ষের স্থগিত হওয়া পরীক্ষা আগামী ১৫ জুন এবং প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা পহেলা জুলাই থেকে শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে ১৬৫ তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো আনোয়ারুল ইসলাম।

এদিকে ২০১৮ -১৯ এবং ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থীরা মোট ৬০ নম্বরের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। এ ক্ষেত্রে ‘ক্রিয়েটিভ অ্যাসেসম্যান্ট’ থাকবে ৩০ নম্বর ও বাকি ৩০ নম্বর থাকবে ভাইবায়।

অন্যদিকে তৃতীয় বর্ষসহ (২০১৭-১৮ সেশন) অন্যান্য সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। এ ক্ষেত্রে ‘ক্রিয়েটিভ অ্যাসেসম্যান্ট’ থাকবে ৩০ নম্বর এবং বাকি ৪০ নম্বর থাকবে ভাইবায়।

কোন পদ্ধতিতে অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়া হবে জানতে চাইলে কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে আমরা প্রতিটি কোর্সের পরীক্ষা নিবো দু’টি ভাগে। অথাৎ প্রতিটি কোর্সে একটি ক্রিয়েটিভ অ্যাসেসম্যান্ট ও একটি ভাইবা থাকবে।

তিনি বলেন, ক্রিয়েটিভ অ্যাসেসম্যান্টের জন্য জুম অ্যাপ, গুগল ক্লাস রুম এবং অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে নির্দিষ্ট তারিখে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের একটি প্রশ্নপত্র সরবরাহ করবেন। প্রশ্নপত্র সমাধানের জন্য সময় দেওয়া হবে ১২ ঘন্টা এবং প্রশ্নের উত্তর হাতে লিখতে হবে। নির্দিষ্ট সময় শেষে উত্তরপত্রের ছবি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তুলে অনলাইন প্লাটফর্ম জুম অ্যাপ বা গুগল ক্লাসরুমে আপলোড করতে হবে শিক্ষার্থীদের।

অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মূলত শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে যাচাই করার জন্য আমরা ভাইবা রেখেছি এবং এটি অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে। ক্রিয়েটিভ অ্যাসেসম্যান্ট জমা দেওয়ার পর যে কোন দিন ওই কোর্সের ভাইবা হতে পারে। আমরা বিভাগগুলোকে দায়িত্ব দিয়েছি তারা ঠিক করবে কবে ভাইবা নিলে তাদের এবং শিক্ষার্থীদের সুবিধে হয়।

এদিকে অনার্স এবং মাস্টার্স শেষ বর্ষের কিছু বিভাগের শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র ভাইবা ছাড়া আর কোন পরীক্ষা বাকি নেই তাদের ক্ষেত্রে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের ভাইবা সরাসরি অপলাইনে নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিভাগগুলোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা সিদ্ধান্ত নিবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ মার্চ থেকে অনলাইনে ক্লাস করছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা। অনলাইনের মাধ্যমে দুই সেমিস্টারের ক্লাস সম্পন্ন করেছেন তারা। করোনাকালীন সময়ে চলতি বছরের শুরুতে অনার্স শেষ বর্ষ ও মাস্টার্সের পরীক্ষা সরাসরি শুরু হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের কারণে তা শেষ করা সম্ভব হয়নি। তবে এবার অনলাইনেই সম্পন্ন হবে সবার পরীক্ষা।

 

0Shares





Related News

Comments are Closed