Main Menu

ইবি’র আইন বিভাগে সান্ধ্যকোর্সের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্টিত

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই সান্ধ্যকালীন কোর্সের এলএলএম ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শীতকালীন সেমিস্টারের ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করেছে। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম কিছুই জানেন না বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ১৮মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গত ২২ ডিসেম্বর একাডেমিক কাউন্সিল সভায় শুধুমাত্র ¯œাতক ও ¯œাতকোত্তর চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহণের অনুমতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক না পর্যন্ত অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এদিকে ক্যাম্পাসে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই সান্ধ্যকালীন কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করেছে আইন বিভাগ। বিষয়টি জানাজানি হলে ভিসির নির্দেশে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আগামীকাল ১৩ ফেব্রæয়ারির পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষা বন্ধ হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে পরীক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘ভিসির নির্দেশ পাওয়ার পরেই সান্ধ্যকালীন কোর্স পরীক্ষা কমিটির সভাপতির সাথে কথা বলে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। কেন পরীক্ষা নিয়েছে এ বিষয়ে শনিবার ভিসির সাথে দেখা করে কথা বলতে বলেছি।’

সান্ধ্যকালীন কোর্সের সমন্বয় কমিটি সূত্রে, বেলা ১১টায় মীর মোশাররফ একাডেমিক ভবনেরর ৩১৬ ও ৩১৭ নং কক্ষে এলএলএম নবম ব্যাচের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবেদনকারী ৭৩জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯ জন অংশ নেয়। পাশ করে ৫৬জন। এছাড়া সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা এবং দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত আরও দুই ব্যাচের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে করোনা মাহামারীতে নিয়মিত ক্লাস পরীক্ষা ঠিকমত না হলেও সান্ধ্যকালীন কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চলছে সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এব্যাপারে সান্ধ্যকালীন কোর্সের পরীক্ষা কমিটির সদস্য ও আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহবুব বিন শাহজাহান বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং এ আইন বিভাগের সান্ধ্যকালীন কোর্সের সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলাম স্যার মনে হয় ভিসি স্যারের কাছে অনুমতি নিয়েছেন। তবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. হালিমা খাতুন বলেন, ‘একটি বিভাগের অধীনে একটি কমিটি থাকে। অনুমতি নিয়েছে কিনা কমিটি বিষয়টি বলতে পারবে। তবে আজ এবং আগামীকাল ভর্তি পরীক্ষা ছিলো সেগুলো স্থগিত করা হয়েছে।’

ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের অনুমতি প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, “না ইমপসিবল। তাহলে আমাকে ভুল বুঝিয়েছে বা কিছু একটা। যেখানে আমি সাধারণ ছেলেমেয়েদের পরীক্ষা নিতে পারছিনা সেখানে তাদের অনুমতি কিভাবে দেব?”

Share





Related News

Comments are Closed