Main Menu
শিরোনাম
নবীগঞ্জে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু         সিলেটে ১ হাজার ৪০৬ গৃহহীন পেলেন নতুন বাড়ি         সিলেটে করোনায় আরো ৬ জন আক্রান্ত, সুস্থ ৪৭ জন         ধোপাগুলে শিশুকে ধর্ষণ, যুবক আটক         খাদিমে নাঈম খুন, ডেকে নেওয়া বন্ধু আটক         সিলেটে বিচারককে ঘুষ প্রদানের চেষ্টা, এসআই ক্লোজড         সিলেটে মদসহ ৩ মাদককারবারী আটক         দক্ষিণ সুরমায় পুলিশী অভিযানে ৬ জুয়াড়ী আটক         জকিগঞ্জে যুবলীগ নেতা আহাদকে দল থেকে বহিস্কার         ‘পাঙ্গাস মাছের মড়ক রোধ করবে বায়োফিল্ম ভ্যাক্সিন’         জকিগঞ্জে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিরা বহিস্কার         সিলেটে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন        

আজ বিশ্ব পুরুষ দিবস

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নারী দিবসের কথা অনেকেই শুনেছেন কিন্তু পুরুষ দিবসের কথা অনেকেরই অজানা। আজ বিশ্ব পুরুষ দিবস। নভেম্বরের ১৯ তারিখ আন্তর্জাতিকভাবে পুরুষ দিবস পালিত হয়।

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসের সূচনা হয় ১৯৯২-এর ৭ ফেব্রুয়ারি। টমাস অস্টার নামে এক ব্যক্তি দিবসটি পালন শুরু করেন। পরিকল্পনা হয়েছিল তারও একবছর আগে, অর্থাৎ ১৯৯১-এর ৪ ফেব্রুয়ারি। ১৯৯৯-এ ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে এ বিশেষ দিন উদযাপন পুনরায় শুরু হয়।

পুরুষ দিবস পালনের প্রস্তাব প্রথম করা হয় ১৯৯৪ সালে। তবে ইতিহাস বেশ পুরোনো।

১৯২২ সাল থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নে পালন করা হতো রেড আর্মি অ্যান্ড নেভি ডে। এই দিনটি পালন করা হতো মূলত পুরুষদের বীরত্ব আর ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে। ২০০২ সালে দিবসটির নামকরণ করা হয় ‘ডিফেন্ডার অফ দ্য ফাদারল্যান্ড ডে’। রাশিয়া, ইউক্রেনসহ তখনকার সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে এই দিবসটি পালন করা হতো।

বলা যায়, নারী দিবসের অনুরূপভাবেই দিবসটি পালিত হয়। ষাটের দশক থেকেই পুরুষ দিবস পালনের জন্য লেখালেখি চলছে। ১৯৬৮ সালে আমেরিকান সাংবাদিক জন পি হ্যারিস নিজের লেখায় এ দিবসটি পালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

নব্বই দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও মাল্টায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারিতে পুরুষ দিবস পালনের জন্য বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। যদিও অনুষ্ঠানগুলো খুব একটা প্রচার পায়নি। অংশগ্রহণও ছিল কম। পরবর্তী সময়ে ১৯ নভেম্বর পুরো বিশ্বে পুরুষ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পুরুষ দিবসের ইতিকথা:

কথিত আছে, ১৯২৩ সালে, অগণিত পুরুষ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মতো আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস পালনের দাবি তুলেছিলেন। সেই সময়, পুরুষরা ২৩ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস পালনের জন্য নির্দিষ্ট করেছিলেন। ১৯৬৮-তে আমেরিকান সাংবাদিক জন পি হ্যারিস একটি নিবন্ধে লেখেন, সোভিয়েত-রাশিয়ায় লিঙ্গবৈষম্য মারাত্মক। সেখানে নারী দিবস পালিত হলেও পুরুষ দিবসের কোনও অস্তিত্ব নেই। এরপরেই হ্যারিস পুরুষ দিবস পালনের দাবি জানান।

অবশেষে ১৯৯৯ সালের ১৯ নভেম্বর ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে প্রথম আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস উদযাপিত হয়। ড. জেরোম তিলক সিং পুরুষদের অবদানের স্বীকৃতি দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাই তার বাবার জন্মদিনে প্রথম বিশ্ব পুরুষ দিবস উদযাপিত হয়। ধীরে ধীরে এভাবেই ১৯ নভেম্বর হয়ে ওঠে পুরুষদের মুখ।

বিশ্বজুড়ে নানাভাবে পুরুষ দিবস পালনের রেওয়াজ রয়েছে। প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে দিবসটি পালন করা হয়। এই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, কানাডা, ভারত, পাকিস্তান, ক্রোয়েশিয়া, জ্যামাইকা, কিউবা, স্কটল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মাল্টা, কানাডা, ডেনমার্ক, নরওয়ে, অস্ট্রিয়া, ইউক্রেন ইত্যাদি।

নারী-পুরুষ আসলে সমাজের দুটি স্তম্ভ, যার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে থাকে একটা সুস্থ-স্বাভাবিক সমাজ। তবে, নারী দিবসে যতটা উন্মাদনা দেখা যায়, পুরুষ দিবস নিয়ে সেরকম দেখা যায় না।

 

0Shares





Related News

Comments are Closed