Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৮২৯৭, মৃত্যু ১৫১         সিলেটে দুই ল্যাবে আরো ৮৫ জনের করোনা শনাক্ত         সুনামগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত ব্যবসায়ীর মৃত্যু         শাবির ল্যাবে আরও ৪৬ জনের করোনা শনাক্ত         নবীগঞ্জে দুলাভাই-শ্যালিকার পরকীয়ার বলী হলেন মা         শায়েস্তাগঞ্জে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নিহত ১         জাফলংয়ে আসা পর্যটকদের ফিরিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন         বিশ্বনাথে দুই ছেলের হামলায় পিতা আহত         ধর্মপাশায় নৌকা ডুবে মা-ছেলেসহ ৩জনের মৃত্যু         ছাতকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু         দলই চা বাগান খুলে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন         পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং ও ভুতুড়ে বিল বন্ধের দাবি        

আরও দুইদিনের রিমান্ডে ডা. সাবরিনা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: করোনার নমুনা পরীক্ষার নামে জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে দ্বিতীয় দফা জিজ্ঞাসাবাদে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান শুনানি শেষে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

শুক্রবার ডা. সাবরিনার তিন দিনের রিমান্ড শেষে পুনরায় পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হিরন এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এরআগে ১৩ জুলাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গত রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় তেজগাঁও জোনের একটি টিম তাকে গ্রেপ্তার করে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেকেজি হেলথ কেয়ারের নার্স তানজিনা পাটোয়ারী ও তার স্বামী হুমায়ূন কবিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের গ্রেপ্তারের পর জানা যায়, জেকেজি তারা দু’জন বাসায় বসে নিজেরাই করোনার ভুয়া টেস্ট করে মানুষকে দেওয়া শুরু করে। তানজিনা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করতো, আর ঘরে বসে তার স্বামী রিপোর্ট তৈরি করতো।

জেকেজির মাঠকর্মীরা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার, কেরানীগঞ্জ ও নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে করোনা উপসর্গ দেখা দেওয়া মানুষের নমুনা সংগ্রহ করতো। প্রতি রিপোর্টে পরীক্ষার কথা বলে ৫-১০ হাজার টাকা নিতো। আর বিদেশিদের কাছ থেকে নিতো ৮০-১০০ ডলার। সেই হিসাবে করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্টে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।

0Shares





Related News

Comments are Closed