Main Menu
শিরোনাম
বিয়ানীবাজারে ২৮০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১         সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৮২৯৭, মৃত্যু ১৫১         সিলেটে দুই ল্যাবে আরো ৮৫ জনের করোনা শনাক্ত         সুনামগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত ব্যবসায়ীর মৃত্যু         শাবির ল্যাবে আরও ৪৬ জনের করোনা শনাক্ত         নবীগঞ্জে দুলাভাই-শ্যালিকার পরকীয়ার বলী হলেন মা         শায়েস্তাগঞ্জে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় নিহত ১         জাফলংয়ে আসা পর্যটকদের ফিরিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন         বিশ্বনাথে দুই ছেলের হামলায় পিতা আহত         ধর্মপাশায় নৌকা ডুবে মা-ছেলেসহ ৩জনের মৃত্যু         ছাতকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু         দলই চা বাগান খুলে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন        

সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক পূর্ণা রায়

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (নারী) নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজারের পূর্ণা রায় ভৌমিক। তিনি মৌলভীবাজার আলী আমজদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে (জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৯, বিভাগীয় পর্যায়ে) তিনি সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (নারী) নির্বাচিত হয়েছেন।

ইতোমধ্যে তার প্রমিত বাংলা উচ্চারণ শেখার নতুন অডিও পদ্ধতি বেশ সমাদৃত হয়েছে। তিনি ২০০৯ সালেও শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন।

পূর্ণা রায় চাকরিতে যোগ দেন ১৯৯৩ সালে। তার প্রথম কর্মস্থল ত্রৈলোক্যবিজয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তারপর পৌরসভার নওয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হন। ২০০২ সাল থেকে একাধারে ১৬ বছর প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন টিলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ওখানেই প্রায় ২৩ থেকে ২৪ টি ইনোভেশন আইডিয়া বাস্তবায়ন করেন তিনি। এর মধ্যে স্মাইলি, স্টার, মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, ঝুলন্ত বিন, বোতল দিয়ে জুতা রাখার র‌্যাক, পোর্টফলিও, সমাবেশে নীতিবাক্য, ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, মজার দোকান, প্রয়োজন ব্যাংক, সেরা শিক্ষার্থী বোর্ড, উচ্চারণ (বাংলা অডিও) উল্লেখযোগ্য।

নতুন আরও একটি আইডিয়া “গেটপাস” ডিপিই’র অর্থায়নে কাজ শেষ করে এখন শ্রেণিকক্ষে। কার্ডটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের উপকারে আসছে। শিক্ষার্থী ক্লাসে মনোযোগ দিতে বাধ্য হবে,শিক্ষকের স্ব অনুচিন্তনে সাহায্য হবে।

ব্যক্তিজীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তার স্বামী রানু কুমার তালুকদারের (ভাষাশিক্ষক বাংলা, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, মৌলভীবাজার) সহযোগিতা ও উৎসাহে এতদূর আসতে পেরেছেন বলে জানান তিনি। যতদিন বেঁচে থাকবেন শিশুদের কাজে সময়কে ব্যয় করতে চান বলে দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

0Shares





Related News

Comments are Closed