Main Menu

মিয়ানমারে স্বেচ্ছায় ফিরে গেছেন ২৭০ রোহিঙ্গা

Manual3 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ২৭০ রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে স্বেচ্ছায় মিয়ানমার ফিরে গেছেন বল দাবি করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো। সর্বশেষ তিনটি পরিবারের ২৬ রোহিঙ্গা দেশটিতে ফিরেছে বলে জানিয়েছে তারা।

মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতিতে শনিবার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিরে যাওয়া ২৬ রোহিঙ্গার মধ্যে গত বুধবার আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা) একজনকে আটক করে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে বলেও জানায় ইরাবতি।

এর সত্যতা নিশ্চিত করে রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলা প্রশাসক ইউ সো অং বলেছেন, ২৬ রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় তাংপিয়ো লেটওয়ের মাধ্যমে মংডুতে ফিরে এসেছিল।

তিনি বলেন, তিনটি পরিবারের ২৬ জন মুসলিম রোহিঙ্গা বাংলাদেশের আশ্রয় ক্যাম্প থেকে মিয়ানমারে প্রবেশ করে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তাদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। তাই আমরা সেই ব্যক্তিকে আটক করেছি। অন্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

Manual8 Ad Code

মংডু ডিসি বলেন, কর্মকর্তারা আইন ও বিধি মোতাবেক সব স্বেচ্ছাসেবী প্রত্যাবাসীর কাছে থাকা তথ্যের বিপরীতে যাচাই-বাছাই করছেন। মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি প্রক্রিয়ার আওতায় এ পর্যন্ত ২৭০ জন স্বেচ্ছায় ফিরে এসেছেন। তারা হয় নৌকা ব্যবহার করে বা হেঁটে ফিরে এসেছেন।

এর আগে গত শনিবার রাতে কোনো এক সময়ে ২৮ রোহিঙ্গা পরিবারের সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমার চলে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়।

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী-৯ নং ক্যাম্পের বি ব্লক থেকে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার ফিরে গেছে বলে খবর পাওয়া যায়। মিয়ানমার ফিরে যাওয়াদের মধ্যে মংডুর বলিবাজার এলাকার মো. সিরাজের চার সদস্যের পরিবার ও উত্তর রাখাইনের লং ডং এলাকার সাব্বির আহমদের পাঁচ সদস্যের পরিবারের নাম পাওয়া যায়।

Manual6 Ad Code

অন্য চার পরিবারের নাম ঠিকানা জানা না গেলেও উক্ত ক্যাম্প ও পাশ্ববর্তী ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বালুখালী-১০ ক্যাম্পের মাস্টার নুরুল কবিরসহ বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, গোপনে মিয়ানমার ফিরে যাওয়াদের অনেকে ইয়াবা কারবারি।

Manual7 Ad Code

ক্যাম্পে তারা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে ছিল। নিজেদের রক্ষার্থে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে মিয়ানমার চলে গেছে।

Manual7 Ad Code

বেশ কিছু রোহিঙ্গা জানান, যারা সুযোগ পাচ্ছে গোপনে রাখাইনে নিজ ঘর-বাড়ি বা গ্রামে ফিরে যাচ্ছে।

বালুখালী-৯ ক্যাম্পের অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপ সচিব মো. হাফিজুল ইসলাম গোপনে মিয়ানমার ফিরে যাওয়ার তথ্য জানা নেই বলে জানান। তবে ইতিপূর্বেও বেশ কিছু রোহিঙ্গা মিয়ানমার ফিরে গেছে এবং কিছু কিছু রোহিঙ্গা গোপনে চলে গেলেও তা আমাদের অবহিত করে না।

দেশটির শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা মন্ত্রী ইউ থেইন সিউ জানান, ফেরত আসা রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে রাখাইনের আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

ফেরত আসা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে বাস করা অসুবিধাজনক ছিলো উল্লেখ করে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অপরপ্রান্তে বাস করা অসুবিধাজনক হওয়া তারা নিজেদের মতো করে ফিরে এসে। পরিচয় যাচাইয়ের পর কেবল তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।

তিনি জানান, পরিচয় যাচাই শেষে এসব রোহিঙ্গাকে তাদের গ্রামে ফেরত পাঠানো হবে যেখানে তাদের স্বজনরা এখনো বাস করছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code