Main Menu

কুলাউড়ায় কালনী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: আবারও কুলাউড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। শনিবার (২০ জুলাই) সকাল ৭টায় সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী আন্তনগর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুলাউড়া জংশন এলাকায় প্রবেশের সময় ৯টা ২০ মিনিটের দিকে লাইনচ্যুত হয়। গতকাল শুক্রবার একই স্থানে আন্তনগর জয়ন্তিকা ট্রেনের দুটি চাকা লাইনচ্যুত হয়।

লাইনচ্যূত বগিটি উদ্ধার করতে না পেরে সকাল ১১টার দিকে ওই বগিটি কুলাউড়ায় রেখে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় কালনী এক্সপ্রেস।

একদিনের ব্যবধানে একই স্থানে দুইবার ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ট্রেন যাত্রী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রেললাইনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

যাত্রীরা অভিযোগ করে বলছেন, সিলেট-আখাউড়া রেলপথ কেন এত ঝুঁকিপূর্ণ? রেল বিভাগের অবহেলা ও চরম গাফিলতির কারণেই বার বার ট্রেন লাইনচ্যুত হচ্ছে।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের প্রবেশমুখে ঢাকাগামী জয়ন্তিকা ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। তবে পড়ে চাকা লাইনে তুলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

কুলাউড়া স্টেশন মাস্টার মো. মুহিব উদ্দিন বলেন, কালনী ট্রেনের চাকা হঠাৎ করে লাইনচ্যুত হয়। চাকাটি লাইনে তোলা হয়েছে। কেন যে বারবার লাইনচ্যুত হচ্ছে তা একমাত্র প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারাই বলতে পারবেন। গতকাল শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত রেলের প্রকৌশল বিভাগের লোকেরা ক্ষতিগ্রস্ত লাইনের মেরামত কাজ করেছেন।

রেলের উপসহকারী প্রকৌশলী সিলেট (পথ) মো. আশরাফুল আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। কী কারণে বার বার ট্রেন লাইনচ্যুত হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুন রাত ১১টা ৪৮ মিনিটে সিলেট থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল রেলক্রসিং এলাকার কাছেই সেতু ভেঙে আন্তঃনগর ‘উপবন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের কয়েকটি বগি খালে পড়ে যায়। এছাড়া আরও তিনটি বগি স্থলভাগের সীমানায় লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। মোট পাঁচটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট কাজ শুরু করে। পুলিশ, বিজিবি ও স্থানীয় লোকজনও উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।

এ ঘটনায় নিহত হন চারজন এবং আহত হন শতাধিক যাত্রী। এ দুর্ঘটনার কারণে ২২ ঘন্টা বন্ধ থাকে সারাদেশের সাথে সিলেটের রেল যোগাযোগ।

Share





Related News

Comments are Closed