Main Menu

ভাইয়ের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হুসনে আরা

প্রবাস ডেস্ক : নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে আল নূর মসজিদে শ্বেতাঙ্গ বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত সিলেটের গোলাপগঞ্জের হুসনে আরা বেগম পারভীনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার ঐ হামলায় নিহত ৫ বাংলাদেশীর জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে গোলাপগঞ্জের হুসনে আরা বেগম পারভীন ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ড. আবদুস সামাদের লাশ নিউজিল্যান্ডে দাফন করা হয়েছে।

অপর তিন বাংলাদেশীর লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হোসনে আরার বড় ভাই মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, এক বছর আগে আমার ছোট ভাই বুরহান উদ্দিন নিউজিল্যান্ডে মারা গেলে সেখানেই দাফন করা হয়েছে। তার কবরের পাশেই বোন হুসনে আরাকেও দাফন করা হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ পঙ্গু স্বামীর সঙ্গে জুমার নামাজ পড়তে গিয়ে সন্ত্রাসীর গুলিতে নিহত হন সিলেটের বিশ্বনাথের ফরিদ আহমেদের স্ত্রী হোসনে আরা আহমেদ। সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলির মধ্যে স্বামীকে খুঁজতে গিয়ে নিহত হয়েছিলেন হুসনে আরা পারভীন।

নাজিম উদ্দিন আরও বলেন, আমার ছোট বোন হুসনে আরা বেগম পারভীন নিহতের পর আমরা চেয়েছিলাম লাশ দেশে এনে দাফন করব। কিন্তু জটিলতা থাকায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি নিউজিল্যান্ডেই তাকে দাফন করব। সেখানে তার স্বামী ফরিদ উদ্দিন ছাড়াও ১৪ বছর বয়সী মেয়ে সিফা আহমদ রয়েছে। সে মোতাবেক আজ বাদ জুমআ তাকে দাফন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নুর ও লিনউড মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত হন ৫০ জন। আহত হন অন্তত ৪৮ জন। কট্টর শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী ২৮ বছরের ব্রেনটন টেরেন্ট এ হত্যাযজ্ঞ চালায়। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশের ৫ জন রয়েছেন।

নিহত হোসনে আরা বেগম পারভীন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালহাটা গ্রামের মরহুম নুর উদ্দিনের মেয়ে। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট হুসনে আরা বেগম পারভীন। ১৯৯২ সালে বিশ্বনাথ উপজেলার মিরেরচর গ্রামের মৃত মকররম আলীর ছেলে ফরিদ উদ্দিনের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। তিনি ১৯৯৪ সালে স্বামীর সঙ্গে নিউজিল্যান্ডে পাড়ি জমান।

Share





Related News

Comments are Closed