Main Menu

ঢাকা পপুলারকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ক্যান্টিনে নোংরা-অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, খাবারে শত শত তেলাপোকা, মেডিসিন কর্নারে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে চার লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (২ মার্চ) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় এই অভিযান চালায়। উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) মনজুর মোহাম্মাদ শাহরিয়ারের তদারকিতে অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল। সঙ্গে ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক ফাহমিনা আক্তার ও জান্নাতুল ফেরদাউস। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে আমর্ড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন (এপিবিএন-১)।

বেলা ১১টায় শুরু হয়ে অভিযান শেষ হয় বিকেল সাড়ে চারটায়। অভিযান শেষে সহকারি পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকে পপুলারের ধানমন্ডি শাখায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পপুলারের মেডিসিন কর্ণারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করতে দেয়া যায়। যা রোগীদের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক। এছাড়া তারা বিদেশি ওষুধ বিক্রি করছে যার গায়ে আমদানিকারকের কোনো স্টিকার নেই। তার মানে এটি অবৈধ পথে আসা ওষুধ। না হয় ভেজাল ওষুধ বিক্রি করছে। এসব অভিযোগে পৃথক পৃথক করে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘অভিযানে ভয়াবহ চিত্র দেখা যায় পপুলারের ক্যান্টিনে। নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগীদের খাবার তৈরি করছে। পুরো ক্যান্টিন যেন তেলাপোকার রাজত্ব। এছাড়া খাবারের মানও খারাপ। এসব অপরাধে পপুলার ক্যান্টিনকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে। তারা এসব বিষয় সংশোধন না করলে ভোক্তার স্বার্থে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে।’

অধিদফতরের এ সহকারি পরিচালক বলেন, ‘রোগ নিরাময়ে প্রয়োজন ওষুধ। যদি হয় মেয়াদহীন ওষুধ নিরাময় বিপরীতে মরণ হবে। পপুলার নামকরা প্রতিষ্ঠান। ভোক্তার সরলতার এ সুযোগে বাড়তি মুনাফার লোভে অবৈধ পথে আসা লাগেজ পার্টির নকল পণ্য বিক্রি করেছে। ফলে কৌশলে ঠকাচ্ছে ক্রেতাদের, রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।’

আব্দুল জব্বার আরও বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি রোগীদের খাবার ফ্রি বললেও সেখানে পে-ফার্স্ট (টাকা পরিশোধ আগে) লেখা ছিল। এর কারণ তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।’

এছাড়া অভিযানে ধানমন্ডির ডমিনোজ পিৎজা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা এবং ইয়াম চা ডিস্ট্রিক্টকে ৫০ হাজার, ওয়েল ফার্মাকে ৫০ হাজার, বেঙ্গলি রেস্তোরাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed