বাংলাদেশী ৩৬ জনের মধ্যে ২৬ জন নিহত
বৈশাখী নিউজ ডেস্কঃ নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিধ্বস্ত উড়োজাহাজে থাকা ৩৬ বাংলাদেশীর ২৬ জনই নিহত হয়েছেন। বাকিরা কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম একথা জানান।
তিনি বলেন, উড়োজাহাজে ক্রুসহ ৭১ জন ছিলেন। এর মধ্যে চার ক্রুসহ ৩৬ জন বাংলাদেশী ছিলেন। নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাস ও আমাদের প্রতিনিধি খোঁজ-খবর নিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন যে, ৩৬ জনের মধ্যে ২৬ জন মারা গেছেন। উড়োজাহাজের ক্রুরা সবাই নিহত হয়েছেন।’ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বাকি ১০ জন তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।’
নরডিক হসপাতালে ইয়াকুব আলী আর ওম হসপাতালে রেজওয়ানুল হক চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আটজন হলেন- শাহিন আহমেদ, শাহীন ব্যাপারী, মেহেদী হাসান, মিসেস ইমরানা কবির হাসি, সাইয়েদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, শেখ রাশেদ রুবায়েত, মিসেস আলিমুন্নাহার এ্যানি, মো. কবির হোসেন।
ইউএস-বাংলার এই কর্মকর্তা বলেন, ‘চিকিৎসাধীনদের একেক জনের অবস্থা একেক রকম। কারো ব্যাপারে আমরা এই মুহূর্তে কিছুই বলতে পারছি না। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে আমাদের খরচে। তাদের আত্মীয়রা সেখানে যতদিন থাকতে চায়, আমরা তাদের থাকার ব্যায়ভর বহন করব।’
তিনি বলেন, ‘মৃতদেহগুলো খুব দ্রুতই ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।’ তবে কবে নাগাদ ফেরত আনা হবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি কামরুল ইসলাম।
তালিকা অনুসারে আহতরা হচ্ছেন, শাহরিন আহমেদ, শাহীন ব্যাপারী, ইয়াকুব আলী, রেজওয়ানুল হক, মেহেদি হাসান, এমরানা কবীর হাসি, কবীর হোসেন, সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, শেখ রাশেদ রোবায়েত ও আলমুন নাহার অ্যানি। তাদের মধ্যে রেজওয়ানুল হক ওম হাসপাতালে ও ইয়াকুব আলী নরভিক হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বাকিরা ভর্তি আছেন কাঠমান্ডু মেডিক্যাল কলেজে (কেএমসি)।
নিহতরা হচ্ছেন, ফয়সাল আহমেদ, আলিফউজ্জামান, বিলকিস আরা, বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু, আখতারা বেগম, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, মো. রকিবুল হাসান, সানজিদা হক, মো. হাসান ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম, আঁখি মনি, মিনহাজ বিন নাসির, এফ এইচ প্রিয়ক, তামারা প্রিয়মনি, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহারা তানভীন শশী রেজা, পিয়াস রায়, উম্মে সালামা, অনিরুদ্ধ জামান, মো. নুরুজ্জামান ও মো. রাইয়কুজ্জামান।
এছাড়া, ইউএস বাংলার নিহত পাইলট ও ক্রুরা হলেন, ফ্লাইটের পাইলট আবিদ সুলতান, পৃথুলা রশীদ, খাজা হুসাইন, এইচ এম শাফেয়ী।
প্রসঙ্গত, ঢাকা থেকে ৬৭ জন যাত্রীসহ ৭১ জন আরোহী নিয়ে সোমবার দুপুরে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার সময় ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস ২১১ রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়। এতে ৫০ জন আরোহী নিহত হন। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
Related News
নরসিংদীর আড়িয়াল খাঁ নদ থেকে যুবকের বস্তাবন্ধি লাশ উদ্ধার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার ডৌকারচর ইউনিয়নের তেলিপাড়া বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে অবস্থিত আড়িয়াল খাঁRead More
আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ৫০, ২৬ কারখানায় ছুটি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আশুলিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, ব্ল্যাকলিস্টিং বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভRead More



Comments are Closed