Main Menu

পাঁচবিবিতে স্ত্রীর দাবিতে ৬দিন ধরে অবস্থান

Manual6 Ad Code

মোঃ আলী হাসান, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে জেলার পাঁচবিবি উপজেলার সীমানা ঘেষা হিলির ধাওয়া কোকতাড়া গ্রামে স্ত্রীর দাবিতে ৬দিন ধরে অবস্থান করছে ব্যাটালিয়ন আনছার সৈনিক নার্গিস।
আজ শুক্রবার সরেজমিনে গেলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে মৃত জহির উদ্দিনের কণ্যা নার্গিস জানান, গ্রামের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া অবস্থায় একই গ্রামের হবিবর রহমানের পুত্র আবু হোসেনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে গড়ে ওঠে। ২০০৯ সালে নার্গিস আনছার ব্যাটালিয়নে সৈনিক পদে যোগদান করেন। নার্গিসের চাকুরী পাওয়াতে আবু হোসেনের প্রেমের সম্পর্ক আরো গভীর হয়। আবু হোসেনের চাপে উভয় পরিবারের কাউকে না জানিয়ে ২০১০ সালে দিনাজপুর কাচারী মোকাম কাজী অফিসে কাবিননামার মাধ্যমে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পরে তার চাকুরীর সমস্ত টাকা পয়সা আবু হোসেনকে দিতে থাকে। এ টাকা পয়সা দিয়ে আবু হোসেন তার পড়ালেখাসহ সকল প্রয়োজনীয় খরচে ব্যয় করতেন। লেখাপড়া শেষে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার লোকাদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। পরিবারের সদস্যরা বিরোধীতা করতে পারে আশংকায় নার্গিসের টাকায় ভিন্ন বাড়ি তৈরী করে। এ অবস্থায় আবু হোসেন গত দুই মাস পূর্বে তার উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী দলারদর্গা গ্রামের বাবুল সরকারের কণ্যা কুলসুমাকে বিবাহ করে। বিষয়টি জানতে পেরে নার্গিস আবু হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্ঠা করে কোন সাড়া না পেয়ে নিরুপায় হয়ে নার্গিসের টাকায় তৈরী বাড়িতে এসে স্ত্রীর দাবিতে ৬দিন ধরে অবস্থান নিয়ে আছে।
নার্গিস আরো বলেন, আবু হোসেনকে পরিবারের লোকজন আমার সঙ্গে দেখা করতে দিচ্ছে না। ইতিমধ্যে আবু হোসেনের ছোট ভাই নূর ইসলাম সোহাগ বাড়িটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। এছাড়াও এলাকার দুষ্ট প্রকৃতির লোকজন দিয়ে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশসহ নানা ধরণের হুমকি দিয়ে আসছে।
অভিযোগের বিষয়ে আবু হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করে নিজের পরিচয় গোপন করে।
লোকাদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আবু হোসেনের বাল্য বিবাহের খবর তিনি জেনেছেন কিন্ত লিখিত কোন অভিযোগ না পাওয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
২য় স্ত্রীর পিতা দলার দর্গা গ্রামের বাবলু সরকারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, তার মেয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় আবু হোসেনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, আমার মেয়ের বয়স কম হওয়ায় শুধু কলেমা পড়ে বিয়ে হয়েছে, বয়স পূর্ণ হলে রেজিষ্ট্রি করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code