Main Menu

বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতির কাজ প্রায় সম্পন্ন

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমার ৮০ ভাগ প্রস্তুতিমূলক কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবছর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের প্রস্তুতির কাজ তাবলিগ জামায়াতে চিল্লায় অংশ নেয়া মুসল্লিসহ আশ পাশের লোকজন নিজেদের উদ্যোগে কাজ করে থাকেন।
আগামী ১২ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে ১৪ জানুয়ারি আখেরী মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। মাঝে ৪ দিন বিরতির পর ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে ২১ জানুয়ারি আখেরী মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপ।
বিশ্ব ইজতেমার মুরুব্বী ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন বাসসকে জানান, ইজতেমার ময়দানে তাবলিগ জামায়াতের মুসল্লি¬সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন এসে প্রতিদিন পর্যায়ক্রমে প্রায় ৪/৫ হাজার লোক মিলে মিশে কাজ করছে। গত বছরের মতো এবারও ২০১৮ সালে দুই ধাপে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমা। ইজতেমায় দেশের ৩২টি জেলার মুসল্লিসহ বিদেশি কয়েক হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। তিনি আরো জানান, আগামী ১২ জানুয়ারির আগেই বিশ্ব ইজতেমার ময়দানের প্রস্তুতির কাজ সম্পূর্ণ হবে।
ঢাকা, নড়াইল, মাদারীপুর, ভোলা, মাগুরা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পঞ্চগড়, ঝিনাইদহ, জামালপুর, ফরিদপুর, নেত্রকোনা, নরসিংদী, পিরোজপুর, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, ফেনী, শেরপুর, নারায়ণগঞ্জ, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, লক্ষীপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, ঠাকুরগাঁও, সুনামগঞ্জ, বগুড়া, খুলনা, চুয়াডাঙ্গা এবং রাজশাহীসহ ৩২ জেলার মুসল্লিরা ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।
গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বাসসকে জানান, ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমাকে সফল করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। সেই আলোকে গাজীপুর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। স্বাস্থ্যবিভাগ, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, ফায়ার সার্ভিস, বিআরটিসি, বিশেষ ট্রেন সার্ভিস মুসল্লি-দের সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। ইতোমধ্যে বিদেশী মুসল্লিদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা এবং ইজতেমা মাঠের মুসল্লিদের ওযুখানা, গোসলখানা, বাথরুমসহ যাতায়াতের সুবিধার্থে ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed