Main Menu

খেয়াঘাটে অতিরিক্ত টাকা আদায় ও হয়রানীর অভিযোগ

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: খেয়াপারাপারের ইজারা নিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে সাবলিজ দিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মোটরঘাট এলাকাবাসী। এতে স্থানীয় নৌকার মাঝি, পর্যটকরা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

বুধবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সিলেট নগরীর আম্বরখানা-এয়ারপোর্ট রোড হয়ে খাদিমনগর ইউনিয়নের সাহেববাজার। সেখান থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে মোটরঘাট। এই ঘাট দিয়েই যেতে হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লিলাভ‚মি সিলেটের সুন্দরবন নামে খ্যাত রাতারগুল সোয়ান ফরেস্ট। রাতারগুল ভ্রমনের প্রধান রাস্তা মোটরঘাট।

নদী পারাপারের জন্যই এই ঘাটটি ব্যবহৃত হচ্ছে অনেক আগে থেকে। মোটরঘাটের খেয়াঘাটটি প্রতি বছর জেলা পরিষদের মাধ্যমে ইজারা দেয়া হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ ঘাটটি লিজ নেয় শহরের কিছু নামধারী প্রতিষ্ঠান। তারা ঘাটটি লিজ নিয়ে অবৈধভাবে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী দাঙ্গাবাজের কাছে সাবলিজ দেয় । যারা সাবলিজ নেয়, তারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত পর্যকটদের কাছ থেকে কৌশলে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে। এতে নৌকার মাঝি ও পর্যটকগণ হয়রানির শিকার হন।

এ বিষয়টি নিয়ে গত বছর মোটরঘাটে এলাকাবাসীদের সাথে বৈঠক করেন সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউএনও এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তারা নৌকার ভাড়া নির্ধারণ করে দিলেও তার তোয়াক্কা না করে সাবলিজ নেওয়া লোকজন ইচ্ছামতো পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্তভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর সাথে তাদের বাকবিতন্ডা লেগেই আছে।

রফিকুল ইসলাম আরও জানান, রাতারগুলে পর্যটকদের যাতায়াতের কারণেই মূলতঃ অতিলোভে মোটরঘাট লিজ নিতে আগ্রহী হয়- টেন্ডারবাজ শোয়েব এন্টারপ্রাইজ, সূর্য এন্টারপ্রাইজ ও তুর্য এন্টারপ্রাইজ। প্রকৃত পক্ষে রাতারগুল সোয়ান ফরেস্ট গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। সেই এলাকায় আরো ২টি ঘাট থাকলেও তা ইজারা নেওয়া বা দেওয়ার প্রয়োজ পড়ে না।

খেয়াঘাট লিজ দিয়ে ও লিজ নিয়ে পুনরায় সাবলিজের মাধ্যমে এলাকার দাঙ্গাবাজদের কাছে ঘাট তুলে দিয়ে স্থানীয়দের হয়রানি না করার আহŸানও জানান তিনি।

এলকাবাসীর প্রত্যাশা, অবিলম্বে খেয়াঘাট সরকারি নিয়ম ও চার্ট অনুসরণ করে পরিচালিত হোক এবং এই ঘাটকে কেন্দ্র করে রাতারগুলে যাতায়াতকারী পর্যটকদের ব্যবহৃত নৌকার মাঝিদের উপর অযথা হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হোক।
আর তা অব্যাহত থাকলে কঠোরভাবে তা মোকাবেলা করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মো. মদরিছ আলী, মো. উমেদ আলী, মো. মনু মিয়া, মো. মজর আলী, মো. কলিম উল্লা, মো. কালা মিয়া, মো. আব্দুল আলী, মো. সুরুজ আলী, মো. আব্দুল মিয়া, মো. আনা মিয়া, মো. তজমুল আলী, মো. হেলাল উদ্দিন, মো. রফিকুল ইসলাম, আমির আলী, আজিজুর রহমান, গৌতম চন্দ্র দে, জালাল উদ্দিন, আত্তর আলী, মো. হুছন আলী প্রমুখ।

Share





Related News

Comments are Closed