Main Menu

সুনামগঞ্জে ৫ দিনের মাথায় ২ শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে নিখোঁজ থাকা ১১ মাসের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার মাত্র ৫ দিনের মাথায় আবারও একই গ্রামে আরেক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

Manual6 Ad Code

রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর গুচ্ছগ্রামে নিজ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে ওই শিশুকে উদ্ধারের পর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

Manual6 Ad Code

নিহত শিশুর নাম সাইমন (৮ মাস), সে গুচ্ছগ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশু সাইমনকে বিছানায় রেখে তার মা তরকারি গরম করতে রান্নাঘরে গিয়েছিলেন। কয়েক মিনিট পর ঘরে ফিরে দেখেন ছেলে বিছানায় নেই। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পেছনে ডোবার পানিতে পাওয়া যায় তাকে। এরপর পরিবারের লোকজন তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটি হামাগুড়ি দিয়ে পানিতে পড়ে গিয়েছিল। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে পরিবারের লোকজন শিশুটির মরদেহ বাড়ি নিয়ে গেছে। পরিবারকে বলা হয়েছে- শিশুর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করতে হবে। পরিবার রাজি হলে ময়নাতদন্ত করা হবে।

Manual7 Ad Code

প্রসঙ্গত, গত ২৭ জুলাই লালপুর গ্রামের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে নিখোঁজ থাকা ১১ মাসের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শিশুটির নাম আমির হামজা, সে লালপুর গুচ্ছগ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে লালপুর গুচ্ছগ্রামের সাব্বির হোসেনের প্রতিবেশী আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৭), জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগম (৩৫), মৃত নুর মিয়ার ছেলে মণির হোসেন (৩০) এবং মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগমকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ।

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code