Main Menu

বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, বন্ধুকে খুন!

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বউকে নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দ্বিতীয় স্বামীর মারধরে আহত হওয়া প্রথম স্বামী ও সাবেক ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম আনা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

গত রোববার (১৪ জুলাই) রাত ১১টার দিকে তাকে বেধড়ক মারপিট করা হয়। আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মারা যান তিনি।

নিহত আনারুল কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বানিয়াপাড়া গ্রামের মৃত নওশের আলীর ছেলে। তিনি ওই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সাবেক ইউপি সদস্য আনারুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া খাতুন তার পরকীয়া প্রেমিক একই গ্রামের শাহীনের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে তাকে বিয়ে করেন। আনারুলের সঙ্গে শাহীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় আনারুলের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন শাহীন। একপর্যায়ে আনারুলের স্ত্রী পাপিয়ার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শাহীন। পরে পালিয়ে বিয়ে করেন তারা। সেই থেকে আনারুলের সঙ্গে শাহীনের চরম দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

এরই জেরে রোববার রাত ১১টার দিকে বানিয়াপাড়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পাকা রাস্তার ওপর শাহীনের লোকজন পরিকল্পিতভাবে আনারুল ইসলামের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে শাহীন ও তার লোকজন আনারুলকে বেধড়ক মারপিট করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে তিনি মারা যান।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা বলেন, স্ত্রী নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে শাহীন ও তার চাচা মুক্তার হোসেন, মারুফ, মোস্তাকিন, তজিমউদ্দিন ও আবুবক্কর পরিকল্পিতভাবে আনারুলকে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।

কুমারখালী থানার ওসি আকিবুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক সাবেক ওয়ার্ড সদস্য মারা গেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

Share





Related News

Comments are Closed