হজে ২৬ বাংলাদেশীর মৃত্যু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে মঙ্গলবার (২৭ জুন) পর্যন্ত ২৬ জন বাংলাদেশীর মৃত্যুর হয়েছে। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। এদের মধ্যে পুরুষ ২২ জন এবং নারী ৪ জন। এদের মধ্যে মক্কায় মারা যান ২২ জন এবং মদিনায় ৪ জন।
মঙ্গলবার (২৭ জুন) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ম্যানেজমেন্ট পোর্টাল পিলগ্রিমের ডেথ নিউজে এসব তথ্য জানা গেছে। ডেথ সার্টিফিকেট সংযুক্ত ও তারিখ উল্লেখ করে পোর্টালে বলা হয়েছে, আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, উক্ত হাজিগণ ইন্তেকাল করেন।
পিলগ্রিম সূত্রে জানা যায়, এবার হজে গিয়ে ৩১ মে প্রথম মারা যান গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের মো. আব্দুল ওয়াহেদ (৪৬), ২ জুন শাহানারা বেগম (৬৪) ও ড. মো. শফিকুল ইসলাম (৫৮), তাদের বাড়ি যথাক্রমে ঢাকার বাটামারা ও পাবনার সদরে; ৩ জুন শেরপুরের ঝিনাইগাতির মো. আলী হোসেন (৬৭), ৪ জুন ঢাকার খিলগাওয়ের মো. আয়ুব খান (৪৮), ৬ জুন পঞ্চগড়ের রাধানগরের মো. শহিদুল আলম (৬৭), ৭ জুন বগুড়ার সান্তাহারের রোকেয়া বেগম (৬২), ৮ জুন মো. আদম উদ্দিন ম-ল (৭১) ও মো. আমজাদ হোসেন প্রধান (৫৭), তাদের বাড়ি যথাক্রমে নওগাঁর আত্রাই ও গাইবান্ধার বোনারপাড়া, ৯ জুন মারা যান রংপুর সদরের মো. মতিউর রহমান (৬৮), ১০ জুন নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির আব্দুল মান্নান (৫৯), ১৩ জুন সাতক্ষীরার বাঁশদহার মাখতুরা খাতুন (৬১), ১২ জুন কুমিল্লার বরুড়ার মোহাম্মদ আবুল হাশেম (৬১), ১১ জুন রংপুরের বদরগঞ্জের মো. শহিদুল্লাহ মন্ডল (৭৬), ৭ জুন কুমিল্লার দেবীদ্বারের মো. আবুল হোসেন ভূইয়া (৭১), ১০ জুন চাঁদপুরের হাজিগঞ্জের মো. আব্দুল মতিন (৬০), ১২ জুন মাগুরার মোহাম্মদপুরের সৈয়দ নাইমুল হক (৬২), ১৪ জুন রাজশাহীর বুলুনপুরের মো. শাজাহান আলী (৬৬), কুমিল্লার বরুড়ার মো. আবুল কাশেম (৪৬) ও কক্সবাজারের বদরখালীর মো. রিদওয়ান (৬৪), ১৫ জুন মারা যান নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের আব্দুল গফুর (৬১) এবং ১৭ জুন, যশোরের বাঘের পাড়ার মো. আব্দুল কুদ্দুস খান (৬৪), ১৮ জুন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ির মো. আব্দুল আজিজ (৬৩), ২৩ জুন লালমনিরহাটের মো. আবুল ফাত্তাহ (৬৪) ও সিলেটের খাজাঞ্চির মো. সুলেমান খান (৭৫) এবং ২৪ জুন মারা যান কক্সবাজারের মনোয়ারা বেগম (৭২)।
সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। মৃতদেহ তার নিজ দেশে নিতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না।
মক্কায় হজযাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে জানাজা হয়। আর মদিনায় মারা গেলে মসজিদে নববীতে জানাজা হয়। জেদ্দায় মারা গেলে জেদ্দায় জানাজা হয়। জানাজা শেষে মক্কার শারায়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। মদিনার জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে অথবা জেদ্দায় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
গত ২১ মে থেকে হজযাত্রীদের ফ্লাইট শুরু হয়। সৌদি আরবে যাওয়ার শেষ ফ্লাইট ছিল ২২ জুন। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ২ জুলাই এবং শেষ হবে ২ আগস্ট।
Related News
আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, তদন্তে দুদক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটিRead More
সারাদেশে কিডনি রোগীদের জন্য বড় সুখবর
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সারাদেশের সব জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কিডনি রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস সেবাRead More



Comments are Closed