ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার তানিম্বার দ্বীপপুঞ্জে মঙ্গলবার শক্তিশালী ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। তবে সমুদ্রপৃষ্ঠের কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন রেকর্ড না হওয়ায় সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর অন্তত চারটি আফটারশকের খবর পাওয়া গেছে, যা উত্তর অস্ট্রেলিয়ার কিছু অংশেও অনুভূত হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার ডিজেস্টার এজেন্সির প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবনগুলোর প্রধানত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন কর্মকর্তারা।
দেশটির ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা বিএমকেজি জানায়, ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় সোমবার (৯ জানুয়ারী) দিবাগত রাত ২টা ৪৭ মিনিটে ১৩০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে। মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৪৩ মিনিটে সুনামির সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিএমকেজি প্রধান দ্বিকোরিতা কর্নাবতী বলেন, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের চারপাশে আমাদের চারটি জোয়ারের পরিমাপক পর্যবেক্ষণে কোনো অসঙ্গতি ধরা পড়েনি বা সমুদ্রপৃষ্ঠের কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।
উপকূলের কাছাকাছি বসবাসকারী মানুষকে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
এদিকে, ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৬ রেকর্ড করেছে। এ ছাড়া মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাও এটিকে ৭ দশমিক ৬ মাত্রা বলে মনে করছে।
বিএমকেজি জানায়, চারটি আফটারশক ঘটেছে। এরমধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী একটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫।
ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ সংস্থার কর্মকর্তারা ভূমিকম্পের প্রভাবের সম্পূর্ণ মাত্রা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন।
নিউজ ওয়েবসাইট লিপুটানসিক্স.কম জানায়, ইয়ামদেনা দ্বীপের সাওমলাকি শহরের বাড়িগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
Related News
নেপালে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা, নিহত ৮০০ ছাড়িয়েছে
Manual2 Ad Code আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপাল ও তিব্বতে গত বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যাRead More
নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে প্রায় ৭০০
Manual3 Ad Code আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হিমালয় অববাহিকায় আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলেRead More



Comments are Closed