Main Menu

তুরস্ক থেকে গ্রিসে অনুপ্রবেশ, মর্গে পড়ে আছে লাশ

প্রবাস ডেস্ক: তুরস্ক থেকে অবৈধভাবে গ্রিস যাওয়ার পথে ‘সন্ত্রাসীদের আঘাতে’ আহত কয়েছ আলী নামের এক বাংলাদেশি অভিবাসন প্রত্যাশী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহত কয়েছ মিয়া সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার হলদারকান্দি গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে।

জানা যায়, জীবিকা ও জীবনের অত্যাবশ্যকীয় তাগিদে, প্রিয় স্বদেশ, মা, মাটি ছেড়ে প্রায় ১০ মাস পূর্বে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে পাড়ি জমান মা-বাবার এক মাত্র সন্তান ৩০ বছর বয়সী কয়েছ আলী। সেখানে কিছুদিন থাকার পর ইউরোপের দেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে চলে যান তুরস্ক। এরপর চলতি মাসের শুরুর দিকে তুরস্ক থেকে গ্রিসের পথে পাড়ি জমান কয়েছ।

তার পরিবারের লোকজন জানান, গ্রিসে অনুপ্রবেশকালে ‘সন্ত্রাসীদের কবলে পড়েন কয়েছ’। তখন তিনি সন্ত্রাসীদের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গ্রিসের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় একমাস চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত শুক্রবার রাতে মৃত্যুবরণ করেন।

লাশ দেশে পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের মাধ্যমে গত সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে গ্রিসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে আবেদন পাঠিয়েছে নিহতের পরিবার। কয়েছের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিস।

বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ বলছেন, বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিস এর সহযোগীতায় দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে তার মৃতদেহ দেশে পাঠাতে প্রক্রিয়া চলছে।

গ্রিসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) বিশ্বজিত কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন- নিহত কয়েছ আলীর লাশ বর্তমানে গ্রিসের একটি হাসপাতালের মর্গে আছে। লাশ দেশে নেয়ার জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে লাশ দেশে পাঠানোর সকল কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সকল পক্রিয়া সম্পন্ন হলে লাশ দেশে পাঠানো হবে।

নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং সকলকে এই ধরনের অবৈধভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদেশ পাড়ি দেয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ দূতাবাসের এই কর্মকর্তা।

Share





Related News

Comments are Closed