Main Menu

সোমবার থেকেই কাটা যাবে ট্রেনের টিকিট

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ায় আগামী বুধবার (১১ আগস্ট) থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে। এজন্য সোমবার (৯ আগস্ট) সকাল থেকে কাউন্টারে টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

Manual5 Ad Code

রোববার (৮ আগস্ট) রেলপথ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আগামী বুধবার থেকে ৩৮ জোড়া আন্তঃনগর ও ১৯ জোড়া মেইল কমিউটার দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এবার এক সিট ফাঁকা রেখে নয়, দুই সিটেই যাত্রী বসিয়ে চলাচল করবে ট্রেন। এক্ষেত্রে যাত্রীদের মাস্ক পরার বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেবে রেলওয়ে।

Manual4 Ad Code

ট্রেনের টিকিট কাটার আগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে রেলওয়ে। বলা হয়েছিল, ট্রেনের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হবে। সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এবার কর্তৃপক্ষ বলেছে, শতভাগ টিকিট বিক্রি করা হবে। তবে ৫০ শতাংশ অনলাইনে আর বাকি ৫০ শতাংশ কাউন্টারে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সব মিলিয়ে ৩৫৯টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে আন্তনগর ট্রেনের সংখ্যা ১০৪টি। সূত্র জানায়, শুধু অনলাইনে টিকিট বিক্রি করলে অনেক সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হন। মূলত এ কারণেই কাউন্টারে টিকিট বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

Manual5 Ad Code

এছাড়া সব ট্রেন একসঙ্গে চালু না করলে যাত্রীদের চাপ অনেক বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে অর্ধেক সীট ফাঁকা রাখলে রেল আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এ জন্যই সব আসনের টিকিট বিক্রি করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে। এই বিষয়ে মৌখিকভাবে সংস্থাটির সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে রেলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং সবার মাস্ক পরা নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে।

এদিকে, সারা দেশে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করে আগামী বুধবার (১১ আগস্ট) থেকে সব ধরনের অফিস ও কলকারখানা খোলার অনুমতি দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শপিংমল ও বাজার সকাল ১০টা থেকে শুরু করে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ সংক্রমণের পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিধি-নিষেধের অনুবৃত্তিক্রমে কিছু শর্ত সংযুক্ত করে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হলো।

শর্তগুলো হলো-
১. সকল সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক খোলা থাকবে।
২. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
৩. সড়ক, রেল ও নৌ-পথে আসন সংখ্যার সমপরিমাণ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন/যানবাহন চলাচল করতে পারবে। সড়ক পথে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন (সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক) নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থা, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন মোট পরিবহন সংখ্যার অর্ধেক চালু করতে পারবে।
৪. শপিংমল/মার্কেট/দোকানপাট সমূহ সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক খোলা রাখা যাবে।
৫. সকল প্রকার শিল্প-কলকারখানা চালু থাকবে।
৬. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় অর্ধেক আসন খালি রেখে সকাল ০৮.০০টা থেকে রাত ১০.০০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।
৭. সকল ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
৮. গণপরিবহন, বিভিন্ন দপ্তর, মার্কেট ও বাজারসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অবহেলা পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব বহন করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।

এর আগে রোববার দুপুরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ১০ আগস্টের পর চলমান বিধিনিষেধ একবারে তুলে নেওয়া হবে না। ধাপে ধাপে শিথিল করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিধিনিষেধে কোন কোন বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে সে বিষয়ে এক-দু’দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত হবে। কর্মজীবীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ভ্যক্সিনেশনের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

Manual2 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code