Main Menu
শিরোনাম
কমলগঞ্জে গ্রেপ্তার আতংকে ঘরে ঘরে ঝুলছে তালা         সিলেট শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান রমা বিজয় সরকার         সিলেটে একদিনে আরো ৩৬ জনের করোনা শনাক্ত         সিলেটে মাস্ক না পরায় ১০৭ জনকে জরিমানা         গোলাপগঞ্জে বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন         ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে তাহিরপুর সীমান্তের বর্ডার হাট         রাজনগরে গ্রামবাসীর ওপর হামলা-মামলার অভিযোগ         সিলেট জেলা যুবদল নেতা বাপ্পি গ্রেফতার         ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে এফআইভিডিবি’র কর্মশালা         রমণকন্যার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী সমাপ্ত         সিলেটে আরো ৩৪ জন করোনায় আক্রান্ত , সুস্থ ৩৩         ওসমানীনগরে তরুণীর আত্মহত্যা        

দাঁতের ক্ষয়রোধে আতা ফল

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আতা ফল আমরা সবাই চিনি। এ ফল খেতে খুবই সুস্বাদু। শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও পরিপূর্ণ এ ফলটি। এতে রয়েছে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম। আতা ফলের বেশ কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে। সবগুলোকেই ইংরেজিতে কাস্টার্ড অ্যাপল, সুগার অ্যাপল, সুগার পাইনঅ্যাপল বা সুইটসপ বলা হয়। অঞ্চলভেদে নামের কিছু পার্থক্য রয়েছে আতা ফলে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান। তাছাড়া নানান রোগ প্রতিরোধে আতা বেশ উপকারী। চলুন জেনে নেওয়া যাক আতা ফলে গুণাগুণ সম্পর্কে

আপনি যদি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন, তাহলে রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা কমাতে আতা ফল খাওয়া শুরু করুন। এছাড়াও, কাস্টার্ড আপেলের ডায়াবেটিস ফাইবারের উপস্থিতিতে চিনির শোষণ কমানো যায়। আতা ফলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম আপনার কার্ডিয়াক সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে এতে থাকা ভিটামিন বি-৬ হোমোকিসস্টাইন নিয়ন্ত্রণ করে।

বিশেষজ্ঞরা সপ্তাহে অন্তত একবার দাঁত পরিষ্কার করার জন্য আতা ফলের চামড়া ব্যবহার করে সুপারিশ করেন। এটি ব্যবহারের ফলে দাঁত ক্ষয় রোধ হয় এবং মাড়িকে আরও মজবুত করে। আতা ফলের বীজ ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে। এ বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে ত্বকের গভীরে থাকা কোষের পুনঃবৃদ্ধি পায় এবং ক্ষত স্থানের ব্যথা তাৎক্ষণিকভাবে পালায়। এ বীজে এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রোপার্টি রয়েছে।

ডায়াটেরি ফাইবার সমৃদ্ধ এ ফলটি খুব সহজেই হজম হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আতা ফলের গুঁড়া এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেলে আপনার ডায়রিয়ার সমস্যাও মুহূর্তেই গায়েব হবে। আতা গাছের পাতার নির্যাস স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। স্তনের কোষে থাকা বিষাক্ত টক্সিন দূর করে। এছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্টপূর্ণ আতা ফল আপনার শরীরের কোষগুলোকে বিভিন্ন ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে।

হাঁপানি রোগী হিসেবে যদি আপনি মূলার রস খেয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আতা ফলের রস খাবেন। এটি ভিটামিন বি-৬ সমৃদ্ধ যা আপনার হাঁপানি প্রতিরোধে সাহায্য করবে। গাইনোকোলজির মতে, গর্ভাবস্থায় আতা ফল খাওয়া গর্ভপাতের ঝুঁকি হ্রাস করে। সকালের দুর্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে এবং শারীরিক ব্যথার উপশম ঘটায়। গর্ভাবস্থার পরে আতা ফল খাওয়ার ফলে স্তনে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। ওয়েবসাইট

0Shares





Related News

Comments are Closed