Main Menu

৫০০০ কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চলমান করোনা পরিস্থিতিতেও দেশের কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে এবার কৃষকের ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করার বিষয়েও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার (১২ এপ্রিল) দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের সংযুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘দেশে বোর ধান উঠছে। ধান কাটা শুরু হয়ে যাবে। এবার কৃষক যেন ধানের ন্যায্য দাম পায় সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখবো। ২ লক্ষ মেট্রিক টন বেশি চাল ক্রয় করবে সরকার।’

তিনি বলেন, ‘কৃষি উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য আমরা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা করছি। এছাড়া কৃষকদের সারের জন্য ৯ হাজার কোটি টাকা এবং বীজ ও চারার জন্য ১৫০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হবে।’

‘করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দেশে অনেক কাজ বন্ধ। অনেকেই ধান কাটতে বিভিন্ন স্থানে যেতে পারে। আমরা তাদেরকে সেখানে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেবো’- যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশ কৃষিনির্ভর। কৃষিকাজ চালিয়ে যেতে হবে। সেজন্য আমরা সকল ব্যবস্থা করে দেবো।’

সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষাটা নিজেকেই উদ্যোগ নিয়ে করতে হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘পিপিই (ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম), মাস্ক পরিষ্কার রাখুন। সবাইকে অনুরোধ করবো, মাস্কটা ব্যবহার করবেন। কারণ, এ ভাইরাসটা হাঁচি-কাশি থেকে ছড়ায়। অযথাই নাকে-চোখে-মুখে হাত দিবেন না। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিশেষ উদ্যোগ নিতে আমি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নববর্ষের সকল অনুষ্ঠান বন্ধ করতে হবে। নিজেরা নিজেদের পরিবার নিয়ে অনুষ্ঠান করেন। সেটাই আমরা চাই। নববর্ষে কোনওভাবে লোকসমাগম করবেন না। কারণ লোকসমাগমেই এটা সংক্রমিত হয়।’

তিনি বলেন, ‘মানুষের সঙ্গে মানুষের সংস্পর্শ যত কমানো যায় ততই ভালো। সংস্পর্শ কমিয়ে আপনি উপার্জনের পথ করে নিতে পারেন। বড় মাঠ কিংবা খোলা জায়গায় সপ্তাহে অন্তত একদিন হাট বসালে ভালো হয়। সবাই দূরত্ব বজায় রেখে হাটে বসবেন। যারা হাট করতে আসবেন তারাও দূরত্ব বজায় রাখবেন।’

‘কে কেমন আছেন সেটা জানার জন্যই এ ভিডিও কনফারেন্স করছি। সবকিছু বন্ধ, আবার কারও কাছে রিলিফও চাইতে পারছেন না- এ ধরনের পরিবারের জন্যও আমরা খাবার পৌঁছে দেয়ার পদক্ষেপ নিয়েছি। আমাদের খাদ্যের কোনও অভাব নেই।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা বাড়ির পাশে শাক-সবজি উৎপাদন করুন। বাসার ছাদে টবে যেটুকুই হোক উৎপাদন করুন। না হয় ছোট একটা মরিচের গাছই লাগান। সেটাও আপনার ভালো লাগবে। নিজেদের চাহিদাও পূরণ হবে। এতটুকু জমি যেন অনাবাদি না থাকে।’

Share





Related News

Comments are Closed