Main Menu

মঙ্গল গ্রহে কিছু নড়তে দেখেছে নাসা

তথ্য পযুক্তি ডেস্ক: মঙ্গল গ্রহে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র পাঠানো রোবট যান কিউরিসিটি রোভার এখনও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। গত ছয় বছরে লাল গ্রহটির অনেক তথ্য ও ছবি পাঠিয়েছে কিউরিসিটি। যার মাধ্যমে নাসা জেনেছে রুক্ষ গ্রহটিতে প্রাণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়ার নয়।

মঙ্গলে পানির সন্ধানও কিউরিসিটির মাধ্যমেই জেনেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। এলিয়েন বিশ্বাসীদের দাবি, গ্রহটিতে সম্ভবত আরও অনেক রোমহর্ষক তথ্য নাসা জেনেছে। তবে তা সাধারণ মানুষের নজরে আনা হয়নি।

তাদের আরও দাবি, গ্রহটি এক সময় যে অবস্থায় ছিল তাতে প্রাণ না থাকাটাই অবিশ্বাস্য। সম্ভবত সৌরজগতের বাসযোগ্য গ্রহ হিসেবেই দীর্ঘদিন টিকে ছিল মঙ্গল। এখনও যার নানা নিদর্শন গ্রহের মাটিতে ছড়িয়ে রয়েছে।

মঙ্গল গ্রহে যে প্রাণের সুত্র ছড়িয়ে রয়েছে, নাসার কিউরিসিটি রোভারের পাঠানো ছবি থেকে এমন বহু প্রমাণও সামনে এনেছেন এলিয়েন বিশ্বাসীরা। তবে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি রহস্যজনক কারণে হয় নিশ্চুপ থেকেছে, নয়তো অস্বীকার করেছে।

সম্প্রতি কিউরিসিটির পাঠানো তথ্য ও ছবি থেকে নড়ে চড়ে বসার মতো দাবি করেছে এলিয়েন বিশ্বাসীরা। তারা বলছেন, মঙ্গল পৃষ্ঠে এখনও প্রাণ মিলিয়ে যায়নি।

দাবির স্বপক্ষে এলিয়েন বিশ্বাসীরা সম্প্রতি ইউটিউবের চ্যানেল ‘সিকিউর টিম ১০’এ তথ্যসহ ভিডিও প্রকাশ করেছে। যেখানে ধারাবাহিক বেশ কিছু ছবি দেখিয়ে বলা হয়েছে, এখনও মঙ্গলপৃষ্ঠে প্রাণী চলাফেরা করে থাকে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ইউকে জানায়, মঙ্গল গ্রহে অজানা প্রাণী গড়িয়ে চলাফেরা করছে বলে প্রমাণ মিলেছে। ভিডিওতে তাদের দাবি, নাসা প্রাণের এমন অকাট্য যুক্তি পেয়েও সাধারণ মানুষের কাছে তা গোপন রাখছে।

প্রায় ২৩ মিনিটের বিশেষ ওই ভিডিওতে ধারাভাষ্যকার টেলর গ্লোকনার বলেন, নাসার ছবিতে একটি বিশেষ ধুলার রেখা দেখা যাচ্ছে। যাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, সেখান দিয়ে কিছু একটা খুব দ্রুত ছুটে চলেছে। ফলে ধুলার রেখা সৃষ্টি করেছে।

ভিডিওটি প্রকাশের পর অনেকেই নিজের ধারণা সম্পর্কে সেখানে মন্তব্য করেন। কেউ কেউ একে কাল্পনিক দাবি উল্লেখ করলেও একটি পক্ষ স্বপক্ষেই কথা বলছে।

তাদের দাবি, ‘হঠাৎ করে বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো কেন মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে এতটা আগ্রহী তার উত্তর পাওয়া গেল’। আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘হয়তো পৃথিবীতে মানুষের আগমন ঘটেছিল মঙ্গল থেকেই’।

‘সেখানে পরমাণু কিংবা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে প্রয়োজন হয়েছিল প্রতিবেশী গ্রহ পৃথিবীতে আসার। এখন যেমন আমরা টিকে থাকার স্বার্থে মঙ্গল গ্রহ নিয়ে আগ্রহী।’

Share





Related News

Comments are Closed