Main Menu

ইলেকট্রিক হুইল-চেয়ার আবিষ্কার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মেট্টোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই-বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা তৈরী করলো পক্ষাঘাতগ্রস্থদের ব্যবহার উপযোগী ইলেকট্রিক হুইল-চেয়ার।

বিভাগের ফাইনাল ইয়ার প্রজেক্ট হিসেবে ছাত্রছাত্রীরা এটি তৈরী করে এবং এর উপরে প্রেজেন্টেশন দেয়।

প্রজেক্টের সুপারভাইসর হিসেবে কাজ করেন সিনিয়র লেকচারার রবি কর্মকার। তিনি বলেন,‘এরকম হুইলচেয়ার অবশ্যই অনেক আগেই তৈরী হয়েছে, তবে সেগুলোর সাথে এটার বড় পার্থক্য হচ্ছে দামে।

অন্যগুলোর মূল্য বেশিরভাগ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে থাকলেও দেশে পাওয়া যায় এমন সব পার্টস ব্যবহার করায় এটি তৈরীতে খরচ হয়েছে অনেক কম। ফলে দাম থাকবে মানুষের ক্রয় সীমার মধ্যে।’

প্রেজেন্টেশনের পরে বিভাগের শিক্ষকমন্ডলীর কয়েকজন এটি চালিয়ে কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখেন এবং সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। এদিন অন্যান্য প্রেজেন্টেশনগুলোর মধ্যে হোম-অটোমেশন সিস্টেম, লোডশেডিং কন্ট্রোল সিস্টেম এবং অটোমেটিক টি-মেকিং মেশিন ছিলো উল্লেখযোগ্য।

এ ব্যাপারে বিভাগীয় প্রধান মিয়া মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “ইইই-বিভাগ প্রথম থেকেই নিত্যদিনে ব্যবহৃত এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন যন্ত্রপাতির উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে আগ্রহী। একইসাথে প্রতিটি জিনিসই যেন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে সেই চেষ্টাও করা হয়ে থাকে।

আমরা আমাদের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে গর্বিত। ইতোপূর্বে আমাদের ছাত্রছাত্রীদের করা অনেকগুলো প্রজেক্ট দেশজুড়ে সারা ফেলেছিলো, বর্তমানেও এ ধারা অব্যাহত আছে এবং আমি আশাবাদী যে আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

এর আগেও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্যে ইলেকট্রনিক-ব্রেইল তৈরী করে সারা ফেলেছিলো মেট্টোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই-বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা। এ বছরের শুরুর দিকে তাদের তৈরী করা এলপিজি গ্যাস মনিটরিং সিস্টেমও বেশ সারা জাগায়।

Share





Related News

Comments are Closed