Main Menu

করোনা ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার শঙ্কা, কারিগরি কমিটির ৬ পরামর্শ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ উদ্বেগজনক। এখন থেকেই সতর্ক না হলে বাংলাদেশেও সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। এজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আয়োজন করে সবাইকে কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সতর্কাবস্থানে থাকাসহ ৬টি সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটি।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ শঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদদ সহিদুল্লার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার রাতে কমিটির সদস্যদের বৈঠক হয়। সেখানে কমিটির সদস্যরা একমত হন যে, বর্তমানে বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও পার্শ্ববর্তী দেশসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী,যা উদ্বেগজনক।

কমিটি আশঙ্কা করছে, এখন থেকেই সতর্ক না হলে বাংলাদেশেও সংক্রমণ উর্ধ্বমুখী হতে পারে। তাই কমিটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় করে সবাইকে করোনা নিয়ন্ত্রণে সতর্কাবস্থানে থাকার সুপারিশ করা হয়।

কমিটি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের সুপারিশ করে। সেইসঙ্গে এ সংক্রান্ত সচেতনতা তৈরির জন্য প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।

৬টি সুপারিশ হলো :

বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও পার্শ্ববর্তী দেশসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, যা উদ্বেগজনক। জাতীয় কারিগরি কমিটি আশংকা করে এখন থেকেই সতর্ক না হলে দেশেও সংক্রমণ বাড়তে পারে।

তাই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের সুপারিশ করেছে কারিগরি কমিটি। একইসঙ্গে সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়।

যেসব দেশে সংক্রমণের হার বেশি, সেই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে আগমনের ক্ষেত্রে টিকা নেওয়া থাকলেও কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিশ্চিত করা এবং সব বন্দরে জনগণের প্রবেশ পথে স্ক্রিনিং জোরদারকরণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

আসন্ন ঈদুল ফিতরে বাজার, কেনাকাটা এবং ঘরমুখী মানুষের যাতায়াতের সময় মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া তারাবির নামাজ ও ঈদ জামাতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতাল গুলোর সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সভা আয়োজন করে এই বিষয়ক প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

কোভিড নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আয়োজন করে সবাইকে করোনা নিয়ন্ত্রণে সতর্কাবস্থানে থাকা। এছাড়া জিনোম সিকোয়েন্সিং ও সার্ভেলিয়েন্স জোরদার করা।

Share





Related News

Comments are Closed