Main Menu

সিলেটে সাব্বির হত্যার ঘটনায় আটক ৩

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেটে সাব্বির আহমদ (২০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ জনের কিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন- রাজু মিয়া (২০), সাকিন নূর তালুকদার (২০) এবং তাজুল আহমদ (২২)।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার একটি কলোনি থেকে রাজু ও সাকিন নূরকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে রাতে অভিযান চালিয়ে আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে রাজু দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজ এবং সাকিন শাহ খুররম ডিগ্রি কলেজের ছাত্র বলে জানা গেছে।

এদিকে, সাব্বির আহমদকে হত্যার ঘটনায় ১৮ জনের কিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। হত্যার একদিন পর বুধবার বিকেলে নিহতের বাবা অলিউর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৮ জনকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই আটককৃত ৩ জনকে পুলিশ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মিয়া জানান, হত্যাকান্ডের পর মঙ্গলবার রাতে মদিনা মার্কেট এলাকা থেকে রাজু মিয়া, সাকিন নুর তালুকদার ও তাজুল আহমদকে আটক করা হয়। তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এজাহারভূক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেটে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাব্বির আহমদ (২০) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।।‌ সাব্বির নগরীর কানিশাইল মজুমদারপাড়ার বাসিন্দা। সিনিয়র-জুনিয়র গ্রুপের দ্বন্দ্বে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন সাব্বিরের পিতা অলিউর রহমান।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা সাতটার দিকে মদিনা মার্কেট কামারপট্টি গলিতে কয়েকজন তরুণ আড্ডা দিচ্ছিল। হঠাৎ করে তাদের মধ্যে চিৎকার চেঁচামেচি শোনা যায়। পরে সেখান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় সাব্বিরকে উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকরা জানান, সাব্বিরের পেটের নিচে কয়েকটি গভীর ছুরিকাঘাত ছিল।

নিহত সাব্বিরের পিতা অলিউর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকাল চারটার দিকে সাব্বিরের কয়েকজন বন্ধু তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তিনি সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় তার ছেলের মৃত্যুর খবর শুনতে পান।

Share





Related News

Comments are Closed