Main Menu
শিরোনাম
বিশ্বনাথে ঐতিহ্যবাহী ‘পলো বাওয়া’ উৎসব পালিত         জৈন্তাপুরে এসএসসি-২০০২ ব্যাচের শীতবস্ত্র বিতরণ         কুলাউড়া পৌরসভায় আ.লীগ প্রার্থী সিপারের জয়         জগন্নাথপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আক্তার জয়ী         কমলগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন জুয়েল আহমদ         সুনামগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন নাদের বখত         নবীগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন বিএনপির প্রার্থী         মাধবপুরে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর জয়         ছাতকে চতুর্থ মেয়াদে মেয়র হলেন কালাম চৌধুরী         এলাহাবাদ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি         সিলেটে আরও ১৫ করোনা রোগী শনাক্ত, সুস্থ ২১         এসএসসি ২০০৩ ব্যাচের পূর্মিলনী অনুষ্টিত        

শীতের আগেই করোনামুক্ত হবে বাংলাদেশ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: অধ্যাপক ড. বিজন কুমার শীল একজন বাংলাদেশী অণুজীববিজ্ঞানী। তিনি সার্সের কুইক টেস্টের আবিষ্কারক। গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান বিজ্ঞানী। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের র‌্যাপিড ডট ব্লট কিটেরও উদ্ভাবক তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতসহ নানা বিষয়ে কথা বলতে ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি-এর সঙ্গে মুঠোফোনে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি। তার সঙ্গে কথা বলেছেন ব্রেকিংনিউজের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট এস এম আতিক হাসান।

ব্রেকিংনিউজ: আমরা কোন স্টেজে আছি? এটাকে কি পিক টাইম বলা যায়? পিক টাইমটা কী রকম হবে?

ড. বিজন কুমার শীল : করোনার সর্বোচ্চ সংক্রমণ কিংবা সর্বনিম্ন সংক্রমণ নির্ভর করবে এলাকাভিত্তিক। যেমন যুক্তরাষ্ট্রে এক প্রদেশে পিক হচ্ছে, আরেক এলাকায় শুরু হচ্ছে। যার জন্য সারা দেশের সর্বোচ্চ সংক্রমণের চিত্র দিতে পারছে না তারা, তবে ইউরোপের দেশগুলো পেরেছিল।

আমার মনে হয়, আমরা ইতোমধ্যে করোনার পিক টাইমে চলে এসেছি কিংবা কাছাকাছি এসেছি। আমার যেটা অভিজ্ঞতা হয়েছে, আপনারা যে পরিমাণ আক্রান্ত দেখেছেন, তার চেয়ে অধিক মানুষ কিন্তু (করোনা থেকে) সেরে উঠেছেন এবং তারা তা জানেন না। তাদের কোনও আইডিয়াই নেই। হয়তো তাদের একটু গা ব্যথা করেছে, হালকা জ্বর হয়েছে, একটু কাশি হয়েছে বা একটু পেটে সমস্যা হয়েছে ইত্যাদি। কিন্তু তারা এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

ব্রেকিংনিউজ : বাংলাদেশে আক্রান্তের হার কমবে কবে?

ড. বিজন : যাদের মধ্যে অ্যান্টিবডি (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) এসে গেছে, তারা কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে বন্ধ করে দিতে পারে। কারণ তাদের ভেতরে ভাইরাস গ্রো করতে (টিকতে বা বেড়ে উঠতে) পারবে না। ভাইরাস যখনই গ্রো করতে না পারবে, তখন ভাইরাসের পরিমাণ কমে আসবে। যখনই কমে আসবে, তখনই মানুষ আর আক্রান্ত হবে না। এটা খুব দ্রুত কমে যাবে। কারণ, ঢাকা শহরেই অনেক মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি চলে এসেছে, তারা এই ভাইরাসকে তৈরি হতে আর সাহায্য করবে না। সঙ্গত কারণেই তখন ভাইরাসের প্রকোপ কমে যাবে এবং আমরা সবাই তখন এর থেকে পরিত্রাণ পাব।

ব্রেকিংনিউজ : কবে করোনামুক্ত হবে দেশ?

বিজন শীল : সংক্রমণটা যত দ্রুত উঠছে তার চেয়ে দ্রুত নেমে যাবে। তবে শূন্যের কাছাকাছি যেতে আরও সময় লাগবে।

আমার মনে হয়, শীতের আগেই পরিত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় থাকতে পারে। যেসব এলাকায় একেবারে করোনা হয়নি। ঢাকায় পিক আসতে সময় লেগেছে প্রায় চার মাস। নামতে প্রায় ১০ থেকে ১১ সপ্তাহ লাগবে।

ব্রেকিংনিউজ : সরেজমিনে পরিস্থিতি কেমন দেখছেন?

বিজন কুমার শীল : আমরা এটা পর্যবেক্ষণ পেয়েছি। একটা পরিবারের স্যাম্পল দেখলাম- প্রথমে একজন পিসিআরে করোনা পজিটিভ ছিল, বাকি ৮ জনের মধ্যে অ্যান্টিবডি চলে এসেছে। হয়তো আপনি অনুভব করেন যে, মাথাব্যথা হচ্ছে বা একটু পেটে সমস্যা, সামান্য কাশি- পরে সেরে গেছে। এই সংখ্যা কিন্তু বাংলাদেশে এখন অনেক। তারা কিন্তু আমাদের দেশের ভাইরাসকে ইরাডিকেট (ধ্বংস) করতে সাহায্য করবে। কারণ এই মানুষগুলোর মধ্যে ভাইরাস আর গ্রো (টিকতে না পারা) করতে পারবে না। না করতে পারলে ভাইরাস কিন্তু আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যাবে।

-সৌজন্যে ব্রেকিংনিউজ

0Shares





Related News

Comments are Closed