Main Menu

ভারতের ৮০টি শহর সম্পূর্ণ লকডাউন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪৫০ ছুঁইছুঁই ৷ এখনও পর্যন্ত ৪২৫ জনের শরীরে ধরা পড়েছে মরণব্যাধি এই ভাইরাস। রবিবার নতুন করে ৮১ জনের দেহে ধরা পড়েছে করোনা। একদিনে এত লাফিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়েনি। এরই সঙ্গে আশঙ্কা তৈরি করছে কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পড়ার।

বর্তমানে ভারতে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৮। আজ সোমবার থেকে পশ্চিমবঙ্গ, মুম্বাই, চেন্নাই, দিল্লিসহ ভারতের ২২টি রাজ্যের ৮০টি শহর সম্পূর্ণ লকডাউন করা হয়েছে।

কেন্দ্র এবং রাজ্য যৌথভাবে লড়াই করে চলেছে এই ভাইরাস প্রতিরোধ নিয়ে। তারই মাঝে লক ডাউনের ঘোষণা করা হল রাজধানী দিল্লিতে। আজ সোমবার সকাল থেকেই সম্পূর্ণভাবে লক ডাউন করে দেওয়া হয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। পাশাপাশি দিল্লির সীমান্তও ব্লক করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সংক্রমণ রোখার জন্য বন্ধ থাকবে বিমানবন্দর।

সোমবার অর্থাৎ ২৩ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত থাকবে এই লকডাউন। তবে খোলা থাকবে জরুরি পরিষেবা। এছাড়াও বন্ধ থাকবে জন পরিবহণ ব্যবস্থাও। এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে ছাড় থাকবে মুদি দোকান, দুধের দোকান, ওষুধের দোকান, পেট্রোল পাম্পের ক্ষেত্রে।

এছাড়া জানানো হয়েছে কেবলমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতে বাইরে বেরোলে কাউকে আটকানো হবে না। এছাড়া সেক্ষেত্রে কোন প্রমাণ দেখানোর প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিক সম্মেলনে কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, এই ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে আর কোন পথ নেই। তাই বাধ্য হয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি জানিয়েছেন লকডাউন চলাকালীন বন্ধ রাখা হবে দিল্লি সীমান্ত। সাধারণ মানুষকে যাতে কোন অসুবিধার মধ্যে পরতে না হয় সেদিকে কড়া নজর থাকবে।

এছাড়া এই পরিস্থিতিতে কোনও গাড়িকে পথে নামতে দেওয়া হবে না। তবে বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবাতেও। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়াও করোনা সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করতে লকডাউন হচ্ছে, মহারাষ্ট্র, কেরালা, গুজরাট, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, রাজস্থান, অন্ধ্র প্রদেশ, তামিলনাড়ু, পাঞ্জাব, জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, চণ্ডীগড়, ছত্তিসগড়, হিমাচল প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, ওড়িশা, পণ্ডিচেরি এবং উত্তরাখন্ড।

রবিবার ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে ভারতে। মুম্বাইয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬৩ বছরের এক ব্যক্তির, পাটনায় ৩৮ বছরের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, সুরাতে মৃত্যু হয়েছে ৬৯ বছরের এক ব্যক্তির। ভারতে এখনও পর্যন্ত যত জনের করোনায় মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে পাটনার ব্যক্তিই সবচেয়ে কম বয়সি। দিল্লি ও পাঞ্জাবেও মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্তের।

গত ৩ দিনে সবচেয়ে বেশি মানুষের শরীরে করোনা ধরা পড়ল ভারতে। এর মূল কারণ, প্রাথমিক পর্যায়ে বিদেশি ও বিদেশ থেকে আগত ভারতীয়দের শরীর থেকে ছড়ানো। আজ অর্থাত্‍ সোমবার থেকেই তাই সব ট্রেন বাতিল। মেট্রো বাতিল, ইন্টারসিটি বাতিল।

0Shares





Related News

Comments are Closed