Main Menu

আফগানিস্তানে সেনা ঘাঁটিতে হামলা, নিহত ২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের একটি নিরাপত্তা ঘাঁটিতে হামলায় কমপক্ষে ২৪জন সদস্য নিহত হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) জাবুল প্রদেশের ঘাঁটিতে ভোরবেলায় ঘাঁটির ভেতর থেকেই এই হামলায় চালানো হয়। তবে এখনও হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি।

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে গত মাসে তালেবানদের সঙ্গে চুক্তির পর এটি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা। জাবুল প্রদেশের রাজধানী কালাতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ সদর দপ্তর লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

জাবুল প্রদেশের গভর্নর রাহমাতুল্লাহ ইয়ার্মাল বলেন, কিছু অনুপ্রবেশকারী ঘুমন্ত সৈনিকদের ওপর হামলা চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

জাবুল প্রদেশের প্রাদেশিক পরিষদ প্রধান আত জান হক বায়ান বলেন, ‘হামলায় আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীর ১৪ সদস্য এবং পুলিশ বাহিনীর ১০ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া চারজন নিখোঁজ রয়েছে। এই হামলার সঙ্গে তালেবান যোদ্ধাদের যোগসূত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে গভর্নর রাহামতুল্লাহ ইয়ার্মাল বলেন, ‘হামলাকারীরা সেনাবাহিনীর দুটি হামভি যানে হামলা করে পালিয়ে যায়। তাদের সঙ্গে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ভর্তি একটি পিকআপও ছিল।’

আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রক আসাদুল্লাহ খালিদ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় কাজের সুবিধার্থে তালেবানদের অস্ত্রবিরতি চুক্তির আহ্বান জানানোর এক দিন পর এই হামলা চালানো হলো। তার মতে, ‘আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীর তালেবানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে আরো আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পরও তারা ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।’

তালেবান ও আফগান সরকার প্রস্তাবিত বন্দি বিনিময় নিয়ে বিরতিহীন আলোচনা করে চলেছে। যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান চুক্তি অনুসারে পাঁচ হাজার তালেবান বন্দি মুক্তি দেওয়ার কথা। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি মাত্র ১,৫০০ বন্দি মুক্তি দেওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছিলেন। বাকি সাড়ে তিন হাজার বন্দি আলোচনা শুরুর পর মুক্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন।

তালেবানরা সরকারের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে এবং সরকার চুক্তি মোতাবেক বন্দি মুক্তিও শুরু করেনি।

0Shares





Related News

Comments are Closed