Main Menu
শিরোনাম
কমলগঞ্জে এক বৃদ্ধের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল         জৈন্তাপুরে ভারতীয় পাতার বিড়িসহ গ্রেফতার ১         গোয়াইনঘাটে ধর্ষণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন         শ্রীমঙ্গলে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মহত্যা!         সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রী পপির আত্মহত্যা         ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে         বিশ্বনাথে বৃদ্ধ ও এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার          সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৮৫৮২, মৃত্যু ১৫৩          ওসমানীর ল্যাবে আরো ৬১ জনের করোনা পজিটিভ         বিশ্বম্ভরপুরে বজ্রপাতে কৃষক নিহত         শ্রীমঙ্গলে ঘরে বসে সততা পরীক্ষার আয়োজন         জৈন্তাপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে কিশোরীর মৃত্যু        

সৌদি থেকে ফিরলেন আরও ১০৫ বাংলাদেশি

প্রবাস ডেস্ক: সৌদি থেকে আরও ১০৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে সৌদি থেকে ধরপাকড়ের মুখে চলতি মাসেই দেশে ফিরলেন ৪৪১ কর্মী।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাত ১১টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ৪২ জন ও পরে রাত ১টা ১৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের আরেকটি ফ্লাইটে ৬৩ জন দেশে ফেরেন।

বরাবরের মতো গতকালও ফেরত আসা কর্মীদের বিমানবন্দরের প্রবাসীকল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাওয়ার পানি সরবরাহ করা হয়। নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা দেওয়া হয়।

ফেরত আসা ব্যক্তিদের একজন পিরোজপুরের শামীম দাবি করেন, মাত্র দেড় মাস আগে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়ে তিনি সৌদি গিয়েছিলেন। কিন্তু আকামা থাকা সত্ত্বেও তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

মুন্সিগঞ্জের মহিউদ্দিন জানান, ১০ বছর ধরে সৌদি আরবে ছিলেন। আকামাসহ বৈধভাবেই ছিলেন। দুদিন আগে এশার নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার জন্য রুম থেকে বের হলে সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি আকামা দেখালেও তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। আটকের কারণ জানতে চাইলে তাকে মারধর করা হয়।

শামীম ও মহিউদ্দিনের মতোই নিজেদের দুর্ভোগের কথা জানান নোয়াখালীর সাইফুল, কুমিল্লার রাজু, ঢাকার রাসেলসহ আরও অনেকেই। দেশে ফেরা কর্মীদের অভিযোগ, আকামা থাকা সত্ত্বেও তাদের ধরে সবজি, খেজুর ও পানি বিক্রিসহ ভিক্ষা করার মতো মিথ্যা অভিযোগ এনে দেশে পাঠানো হচ্ছে।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি মাসেই দেশে ফিরলেন ৪৪১ কর্মী। এ বছর ১০ থেকে ১১ হাজার কর্মীকে সৌদি থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সাধারণত ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করলে কর্মীদের ফেরত পাঠানো হতো। কিন্তু এবার ফেরত আসা কর্মীদের অনেকেই বলছেন, তাদের বৈধ আকামা ছিল। আসলেই এমনটা হয়েছে কি না, সেটা দূতাবাস ও মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখতে পারে।

শরিফুল হাসান বলেন, কেন বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে, সেই কারণটা বের করে করণীয় ঠিক করা উচিত। যাতে নতুন করে যাঁরা যেতে চাইছেন, তারা বিপদে না পড়েন।

0Shares





Related News

Comments are Closed