Main Menu

মহাকাশে পর্যটক পাঠাবে নাসা!

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক: নদী-সমুদ্র, পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গলে ঘুরে একঘেয়েমি লাগছে? এবার চাইলে ঘুরতে যেতে পারেন মহাকাশেও! হ্যা, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দিচ্ছে এমনই সুযোগ। আর এ জন্য মহাকাশে থাকা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনটি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

শুক্রবার (৭ জুন) মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সূত্রে জানানো হয়েছে, ২০২০ সাল থেকে পর্যটকদের মহাকাশে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রথমে বছরে মাত্র দু’বার অল্প কয়েকদিনের সফর করানো হবে। আস্তে আস্তে সেটি একমাস পর্যন্ত বাড়ানো হবে। একমাসের ট্রিপে যাতায়াতের জন্য মাথাপিছু খরচ পড়বে ৫৮ মিলিয়ন ডলার। আর প্রতিদিন দিতে হবে ৩৫ হাজার ডলার করে। তবে প্রতিবছর মাত্র দু’জন পর্যটকই সুযোগ পাবেন মহাকাশে ঘোরার। আর শুধু আমেরিকান নয়, যে কোনও দেশের নাগরিকই নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে করতে পারবেন মহাকাশে ভ্রমণ।

তবে সরাসরি নাসার পক্ষ থেকে পর্যটকদের কাছ থেকে কোনও টাকা নেয়া হচ্ছে না। বেসরকারি দুটি সংস্থার মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে এই সফরে অংশ নিতে হবে। ২০২৪ সালে চাঁদে অভিযান চালানোর জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। তাই এই ধরনের কাজে স্পেস স্টেশনকে ব্যবহার করে কিছুটা খরচ তোলার চেষ্টা করছে সংস্থাটি।

নাসার চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার জেফ ডিউইট বলেন, ‘আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনটিকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগে এই ধরনের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কিন্তু, সংস্থার খরচ চালানোর জন্য এই পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর ফলে পর্যটকরা যেমন মহাকাশ দেখার সুযোগ পাবেন তেমনি আর্থিকভাবে লাভবান হবে নাসাও।’

সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, ‘শুধু পর্যটকই নয়, নির্দিষ্ট ভাড়ার বিনিময়ে স্পেস স্টেশনটিতে জায়গা পাবেন বেসরকারি সংস্থার মহাকাশচারীরা। টাকার বিনিময়ে তাঁদের সব ধরনের মেডিক্যাল পরীক্ষা ও মহাকাশে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেয়া হবে।’

১৯৯৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনটি তৈরি করে নাসা। তবে এখন এটি সম্পূর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। ২০০১ সালে রাশিয়াকে দু’কোটি ডলার দিয়ে প্রথমবার পর্যটক হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন আমেরিকান ব্যবসায়ী ডেনিস টিটো।

0Shares





Related News

Comments are Closed