Main Menu
শিরোনাম
কুলাউড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান কমরু গ্রেপ্তার         সিলেটে ৩০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন         সুনামগঞ্জে ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন         বিশ্বনাথে অটোরিকশা চালক হত্যার ঘটনায় মামলা         বিশ্বনাথে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি বাড়িয়েছে শীতের অনুভূতি         দিরাইয়ে আ’লীগের ৩শ’ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান         স্কুলের ফ্লোর ধ্বসে শিক্ষকসহ ২০ শিক্ষার্থী আহত         লোভাছড়া পাথর কোয়ারীতে প্রশাসনের অভিযান         ছাতক ও বড়লেখায় তিন জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার         বিশ্বনাথে দুই প্রার্থীকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা         কুলাউড়ায় মহাজোট প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলা         কুলাউড়া ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু        

জকিগঞ্জে বিরল রোগে আক্রান্ত স্কুলছাত্র আব্দুন নূর

প্রকাশিত: ১:১৬:১৯,অপরাহ্ন ১১ অক্টোবর ২০১৭ | সংবাদটি ৩৭৫ বার পঠিত

আহমেদুল হক চৌধুরী বেলাল, জকিগঞ্জ থেকে: সিলেটের জকিগঞ্জে বিরল রোগে আক্রান্ত এক স্কুল ছাত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। উপজেলার বারঠাকুরী ইউপির তিনগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ছাত্রের সন্ধান মিলে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীতে অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে ড্রেস পরে বসে আছে আব্দুন নূর নামের অস্বাভাবিক আকৃতির এক শিক্ষার্থী। এই শিক্ষার্থীর শরীরের চামড়াশুষ্ক ও ঝুলে পড়ছে, মাথাটা বড়, চুল ও চোঁখের উপরে ভ্রু নেই। মুখটাও ছোট, হাত ও আঙ্গুলের হাড়গুলো স্পষ্ট ভেসে উঠেছে, চলাফেরায় ধীরগতি। এই শিক্ষার্থীর চেহারা দেখতে ৩০/৪০ বছরের বয়স্ক মানুষের মত লাগে। ছেলেটি কজাপুর গ্রামের প্রবাসী আব্দুল বাসিতের পুত্র।
এ রোগ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক ডা. আব্দুল্লাহ আল মেহেদীর সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রজেরিয়া (progeria) জ্বীন ঘটিত একটি বিরল রোগ। যার ফলে এ রোগে আক্রান্ত অল্প বয়সের শিশুগুলোকেও দেখতে বয়স্ক মনে হয়। আমাদের দেশে এ ধরণের কোন রোগীর সন্ধান ইতিপূর্বে মেলেনি। জকিগঞ্জেই প্রথম এই ধরণের রোগের সন্ধান পাওয়া গেছে। এটি বংশানুক্রমিক বা উত্তরাধিকারসূত্রের কোন রোগ নয়। এ রোগ সম্পর্কে বিজ্ঞানীদেরও অনেক কিছু অজানা। এ রোগ নিরাময়ে কোনো চিকিৎসাই সফল হয়নি। রোগটি চিহ্নিত করা গেলেও তাঁর চিকিৎসা জানা নেই। প্রজেরিয়া রোগে আক্রান্ত শিশুরা গড়ে ১৩-১৫ বছর বাঁচে।
তিনগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হীরেময় নাথ জানান, বিরল রোগে আক্রান্ত এই শিক্ষার্থী লেখাপড়ায় অনেকটা মেধাবী। সে কথা বলে খুবই আস্তে। অন্য শিক্ষার্থীরা রোগে আক্রান্ত এ ছাত্রকে ভয় পায়।
শিশুটির মা রাবিয়া বেগমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এ রোগটি শিশুটির জন্মের। রোগটি থেকে রেহাই পেতে অনেক চিকিৎকের দ্বারস্থ হয়েছি কিন্তু নিরাময় হয়নি। চিকিৎকরা জানিয়েছেন এ রোগের কোন চিকিৎসা নেই। শিশুটি পুষ্টির অভাবে এখন শুকিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম সিরাজী বলেন, আমার চাকুরী জীবনে এ রোগে আক্রান্ত কোন শিশু দেখিনি। আমরা এই শিক্ষার্থীকে প্রতিবন্ধিদের তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করার চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছি।






Related News

Comments are Closed