সর্বশেষ
হবিগঞ্জে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার         কানাইঘাটে ডাকাতের গুলিতে নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের         কমলগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘর বিধ্বস্ত         তাহিরপুরে বিদ্যুতের খুটির চাঁপায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু         হবিগঞ্জে কুশিয়ারার বুকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন         শাবিতে বিভাগীয় প্রধানের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছনার অভিযোগ         ফেঞ্চুগঞ্জে পাচারকালে ৬৬ বস্তা রিলিফের চাল জব্দ         বিশ্বনাথে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার         ছাতকে মাদরাসা ছাত্রীর আত্মহত্যা         কমলগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা         বড়লেখায় বিদ্যুৎস্পৃস্টে যুবকের মৃত্যু         রাজনগরে ছেলের হাতে বাবা খুন        

সুনামগঞ্জে হত্যা মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যান-ওসি কারাগারে

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম । প্রকাশিতকাল : ৩:১৬:৫৭,অপরাহ্ন ০৯ অক্টোবর ২০১৭ | সংবাদটি ১৩০ বার পঠিত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ছাত্রলীগ নেতা ওয়াহিদুজ্জামান শিপলুকে হত্যার মামলায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল এবং তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসিসহ ৭ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

রোববার (৯ অক্টোবর) এই হত্যা মামলার যুক্তিতর্কের ১৭তম কার্যদিবসে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রণয় কুমার দাস আসামিদের কারাগারে পাঠোনোর আদেশ দেন।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, বিএনপি নেতা জুনাব আলী, তাহিরপুর থানার তৎকালীন ওসি শরিফ উদ্দিন, তৎকালীন এসআই রফিক, যুবদল নেতা শাহীন মিয়া ও শাহাজাহান মিয়া।

২০০২ সালের ২০ মার্চ রাতে তাহিরপুর উপজেলার ভাটি তাহিরপুর গ্রামে (মামার বাড়ীতে) তাহিরপুর জয়নাল আবেদীন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান শিপলু গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন।

রোববার মামলার শুনানিতে বাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আপ্তাব উদ্দিন ও জহুর আলী। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী ও ফারুক আহমদ।

পিপি অ্যাভোকেট খায়রুল কবির রুমেন জানান, আগামী ৩১ অক্টোবর এই মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। রায় হওয়া পর্যন্ত আসামিরা কারাগারে থাকবেন বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জের বাসিন্দা মো. বদরুজ্জামানের ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান শিপলু তাহিরপুর উপজেলার তৎকালীন কৃষক লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলামের ভাগ্নে ২০০২ সালে মামা শফিকুল ইসলামের বাড়িতে থেকেই উপজেলার জয়নাল আবেদীন কলেজে পড়াশুনা করতেন।

২০ মার্চ রাত ৩ টায় তৎকালীন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি, বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামার কামরুল, তৎকালীন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে সভাপতি মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, বিএনপি নেতা জুনাব আলী, তৎকালীন তাহিরপুর থানার ওসি শরিফ উদ্দিন, এসআই রফিক, তৎকালীন স্থানীয় ছাত্রদল নেতা শাহীন মিয়া ও শাজাহান মিয়া ভাটি তাহিরপুরের শফিকুল ইসলামের বাড়িতে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শফিকুল ইসলাম বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পুলিশ ও ছাত্রদল নেতারা ওয়াহিদুজ্জামান শিপলুকে আটক করেন। এসময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় শিপলু।

এ ঘটনার ২ দিন পর ২৩ মার্চ শিপলু’র মা আমিরুনন্নেছা বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলা আমলে নেয়। ২০০৩ সালে মামলাটি জেলা জজ আদালতে স্থানান্তর হয়। জেলা ও দায়রা জজ ২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠায়।

 






Related News

  • নরসিংদীতে গোলাপ হত্যায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
  • চট্টগ্রামে প্রবাসী হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
  • সিলেটে মা-ছেলে হত্যার দায় স্বীকার তানিয়া-মামুনের
  • কুমিল্লার হত্যা মামলায় খালেদার জামিন নামঞ্জুর
  • সিলেটে মা-ছেলে খুন : আদালতে রাইসার জবানবন্দি
  • ২২ এপ্রিল পর্যন্ত জামিন পেলেন খালেদা জিয়া
  • ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
  • অভিনেতা আহমদ শরীফকে কারাদন্ড
  • Comments are Closed