সর্বশেষ

বিশ্ব ডাক দিবস আজ

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম । প্রকাশিতকাল : ১:২৪:৪৫,অপরাহ্ন ০৯ অক্টোবর ২০১৭ | সংবাদটি ৪০ বার পঠিত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আজ ৯ অক্টোবর, বিশ্ব ডাক দিবস। প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হয়।

বৈদিক গ্রন্থ বেদে প্রথম ডাক যোগাযোগের তথ্য লিপিবদ্ধ হয়। প্রাচীনকালে কবুতর বা দূতের মাধ্যমে চিঠি আদান-প্রদান করা হতো। শেরশাহ (শাসনামল ১৫৩৮-১৫৪৫) ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন। তিনি এক হাজার ৭০০টি ডাকঘর নির্মাণ এবং ঘোড়াসহ প্রায় ৩ হাজার ৪০০ বার্তাবাহক নিযুক্ত করেন।

ইউরোপের ২২টি দেশের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ১৮৭৪ সালের এই দিনে সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরে গঠিত হয় ‘জেনারেল পোস্টাল ইউনিয়ন’। সংস্থাটির এর লক্ষ্য ছিল বিশ্বের প্রতিটি দেশের মধ্যে ডাক আদান-প্রদানকে অধিকতর সহজ ও সমৃদ্ধিশালী করার মধ্য দিয়ে বিশ্বজনীন পারস্পরিক যোগাযোগকে সুসংহত করা।

এক সময় এটি ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন বা ইউপিইউ নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৬৯ সালে জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডাক ইউনিয়নের ১৬তম অধিবেশনে প্রতি বছরের ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন দিবস নির্ধারণ করা হয়।

১৯৮৪ সালে জার্মানির হামবুর্গে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডাক ইউনিয়নের ১৯তম অধিবেশনে বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন দিবসের নাম বদলে হয় বিশ্ব ডাক দিবস।

বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ওই সংস্থার সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। সেই থেকে বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

ডাক বিভাগের আধুনিকায়ন ও পাবলিক সেবার কথা চিন্তা করে বাংলাদেশ সরকার ডাকসেবা সময়োপযোগী করার লক্ষ্য নিয়ে ২০০০ সালে ই-পোস্ট সার্ভিস চালু করেছে, যা সম্ভাবনাময়। কিন্তু সার্ভিসটি দীর্ঘদিন পরও খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে প্রশিক্ষিত দক্ষ জনবল সঙ্কট আর প্রচারণার কার্পণ্যের কারণে।

বর্তমানে পোস্ট অফিসকে আধুনিকায়ন করতে লেপটপ, ফটোকপি, স্ক্যানার, ক্যামেরা, মডেমসহ ইন্টারনেট সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যার সুফল তৃণমূলের জনগণ ভোগ করছে।

সূত্র মতে, সারা দেশে ডাকঘর রয়েছে ৯ হাজার ৮৮৯টি। এর মধ্যে জেনারেল পোস্ট অফিস ৪টি, জেলা শহরগুলো মিলিয়ে ৬৬টি। এরপর উপজেলা, গ্রামে রয়েছে ৮২০০টি এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল ডাকঘর। অনেক জেলা শহরে রয়েছে নাইট পোস্ট অফিস।

ডাক বিভাগের গুরুত্বকে অর্থবহ করতে আরো আধুনিকায়ন দরকার। তার সঙ্গে প্রয়োজন যোগ্য জনবল। ডাকবাক্সে চিঠি না ফেললেও এই ঐতিহ্যবহনকারী বাক্সগুলোকে জরাজীর্ণতা থেকে মুক্তি দিতে সংস্কার প্রয়োজন। দেশের ডাকঘরগুলো সচল হোক প্রযুক্তির ছোঁয়ায়, সেই শুভ প্রত্যাশায় বিশ্ব ডাক দিবসের সফলতা কামনা করছি।






Comments are Closed