Main Menu

লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রী কলেজে ‘চুড়–ইভাতি’

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: এ যেন একঝাঁক তারার মেলা। মেলায় কখনো নাঁচ, কখনো গান, আবার কখনো বরেণ্য ব্যক্তিদের বক্তৃতা। সব মিলিয়ে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন হৃদয় ছুঁয়ে গেছে সকলের। হ্যাঁ, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রী কলেজে সোমবার এই বিনোদনমূলক আয়োজন ‘চুড়–ইভাতি’ সত্যিই সকলের মন ছুঁয়ে যায়।

কলেজের প্রায় দুইহাজার ছাত্রীর এই আয়োজনে সকাল থেকেই কলেজ প্রাঙ্গন ছিল ছাত্রী ও অভিভাবকদের পদচারণায় মুখরিত। কোন ড্রেসকোডের বিধিনিষেধ ছিল না। তাই কলেজের ছাত্রীরা বাহারী রঙের পোষাক পরে কলেজে উপস্থিত হয়। তাদের কেউ পরে বেনারসি, কেউ লেহেঙ্গা আবার কেউ লাল, নীল আর আকাঁশী রঙের ছেলোয়ার কামিজ।

ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে বাড়তি ইমেজ ছিলেন কলেজের কর্ণধার সাবেক এমপি আলহাজ্ব শফি আহমদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, এই কলেজের সাফল্য আমার অনুভূতিতে আনন্দের জোয়ার বইয়ে দেয়। যতদিন বেঁচে থাকবো কলেজের উন্নয়নের কাজ করে যাবো।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অঞ্চল সিলেটের পরিচালক প্রফেসর মো. হারুনুর রশীদ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সিলেটের নির্বাহী পরিচালক নজরুল হাকিম, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অঞ্চল সিলেটের উপ-পরিচালক প্রতাপ চৌধুরী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিন্টু চৌধুরী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সত্যব্রত রায়, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নারী নেত্রী এডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ, সৈয়দ কুতুব জালাল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সিলেটের সহকারি পরিচালক অনন্ত ভৌমিক, কলেজের গভর্ণিং বডির সদস্য চেয়ারম্যান সুফিয়ানুল করিম চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম ও আব্দুল হাই খছরু।

ব্যতিক্রমী এই অনুষ্টানের শুরুতেই অভ্যাগতদের স্বাগত জানান কলেজ অধ্যক্ষ আমিরুল আলম খান। তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন, সহকারি অধ্যাপক মিজানুল করিম, ফখরুর ওয়াহেদ চৌধুরী, শারমিন সুলতানা, বিশ্বজিত দেব, সুহেনাজ তাজগেরা, মো. আবু হানিফ, মো. মহি উদ্দিন, তপতী রায়, শেখ মো. আব্দুর রশীদ, রোকেয়া বেগম, শক্তি রানী সরকার, নন্দ কিশোর রায়, প্রভাষক এম এ মালেক, আবুল কালাম আজাদ, সাবিনা ইয়াসমিন জেনি, ফারজানা ইয়াসমিন, রিক্তা রানী সরকার, আয়েশা আক্তার, দিদার ইবনে তাহের লস্কর, ইউসুফ আলী, নিজামুল হক প্রমুখ।

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে কলেজের ছাত্রীরা পাঠ্যসূচির বাইরে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে নাঁচ, গান, কৌতুক পরিবেশন করে।






Related News

Comments are Closed