Main Menu

কুমিল্লাকে সহজেই হারাল রাজশাহী

স্পোর্টস ডেস্ক: টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ২১ বছর বয়সী মেহেদি মিরাজকে অধিনায়কের দায়িত্ব সঁপে দিয়ে বড় চমক দিয়েছিল রাজশাহী। সে চমকের ধারাবাহিকতা যেনো মাঠেও বজায় রেখেছে তারা। আগের আসরের দুই ফাইনালিস্ট রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ডায়নামাইটসকে হারানোর পর এবার গতবারের তৃতীয় হওয়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিপক্ষেও জয় তুলে নিয়েছে রাজশাহী।

আজ সোমবার (২১ জানুয়ারি) লরি ইভান্সের সেঞ্চুরিতে আগে ব্যাট করে ৩ উইকেটে ১৭৬ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল রাজশাহী। তারকাসমৃদ্ধ কুমিল্লার জন্য এ লক্ষ্য খুব বেশি কঠিন না হলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে তাদের আটকে রেখেছে রাজশাহীর বোলাররা।

শেষ পর্যন্ত ১০ বল বাকি থাকতেই ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে গেছে ইমরুল কায়েসের দল। কুমিল্লাকে ৩৮ রানের ব্যবধানে হারিয়ে এবারের আসরে নিজেদের চতুর্থ জয়টি তুলে নিয়েছে মেহেদি মিরাজের রাজশাহী।

রাজশাহী কিংসের দেওয়া ১৭৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে কিছুটা ধীরস্থিরভাবেই শুরু করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ৩৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। কিন্তু ব্যক্তিগত ২৫ রানে কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে মার্শাল আইয়ুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তামিম। ২৪ বলের এই ইনিংসে দুটি করে চার ও ছক্কা হাঁকান।

অপর ওপেনার বিজয় আরও কিছুটা সময় চেষ্টা করলেও ফিরে যান তিনিও। ২২ বলে ২৬ রান করে রায়ান টেন ডেসকাটের বলে নাফিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ব্যাটসম্যান। বিজয়ের ফেরার মাত্র ৮ বল পরই ফিরে যান শামসুর রহমান। আরাফাত সানির বলে আউট হয়ে ফেরার আগে শামসুর রহমানের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৪ রান।

নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে কুমিল্লা। মাত্র ৭ বল খেলে ১২ রান করে ফেরেন জিয়াউর রহমান। বড় স্কোরের আভাস দিলেও ১৫ রানের বেশি আসেনি ইমরুল কায়েসের ব্যাট থেকে। ১০ বল খেলে একটি ছক্কা ও একটি চার হাঁকিয়ে কাইস আহমেদের বলে ফেরেন এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

পরের বলেই কাইস ফেরান থিসারা পেরেরাকেও। সুযোগ তৈরি করেন আসরের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকের। তবে ওভারের শেষ বলে এই উইকেট পাওয়ায় সুযোগটা থেকে যায় পরের ওভারের জন্য। কিন্তু সুযোগটা আর হয়ে উঠল না।

একাধিক চার-ছক্কায় রানের চাকা বেশ সচল রাখেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি ও লিয়াম ডসন। কিন্তু মোস্তাফিজুর রহমান তার তৃতীয় ওভারে রানের চাকা একেবারেই থামিয়ে দেন বলা যায়। আর এর পরের এক ওভারেই আফ্রিদি ও ডসন দুজনকেই ফিরিয়ে দেন ডানহাতি পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি। ১৫ বলে ১৯ রান করে আফ্রিদি ও ১৪ বলে ১৭ রান করে ফেরেন ডসন।

শেষে পর্যন্ত ১৩৮ থামে কুমিল্লার রান। ৩৮ রানে জয় পায় মেহেদি হাসান মিরাজের রাজশাহী।

রাজশাহীর হয়ে একাই চার উইকেট তুলে নেন রাব্বি। দুটি করে উইকেট নেন ডেসকাট ও কাইস। একটি উইকেট পান আরাফাত সানি।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করে লরি ইভান্সের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও রায়ান টেন ডয়েসকাটের অন্যবদ্য হাফসেঞ্চুরিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রানের ভালো সংগ্রহ পেয়েছিল রাজশাহী কিংস। বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে কোনো ব্যাটসম্যানের এটিই প্রথম সেঞ্চুরি।






Related News

Comments are Closed