Main Menu

ক্যান্সার প্রতিরোধক ভুট্রা উদ্ভাবন!

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভূট্টার নতুন একটি জাত উদ্ভাবন করেছেন জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী। লাল রংয়ের এই ভূট্টা ক্যান্সার প্রতিরোধক বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (২০ জানুয়ারী) মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ উদ্ভাবনের কথা জানান তিনি।

জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

আবেদ চৌধুরী বলেন, ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টায় পুষ্টিমান অনেক বেশি। ভুট্টায় ক্যারোটিন থাকার কারণে মূলত এর রং হলুদ হয়। তাই আমি রঙিন ভুট্টার ক্লোন উদ্ভাবন করেছি। তাৎপর্যের বিষয় হলো- এই ভুট্টা ক্যান্সার প্রতিরোধক।

এরআগে হাফিজা-১, জালালিয়া, তানহা ও ডুম— এই চার জাতের ধানের উদ্ভাবন করেন আবেদ চৌধুরী।

বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের গবেষণামূলক কাজ করার অনুমতি পেয়েছেন।

এই গবেষণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি দেশে আবাদ হয়ে আসা ভুট্টার জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে রঙিন ভুট্টার প্রজাতি উদ্ভাবন করেছেন।

এই জিন বিজ্ঞানী বলেন, জেনিটিক্যালি মডিফায়েড করে এ ধরনের ভুট্টা তৈরি করা হয়। আমরা চাইলে যেকোনো ফসলকে ইচ্ছামতো রং দিতে পারি। শিশুদের কাছে এই ভুট্টা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তাছাড়া শিশুরা এই ভুট্টা খেলে তাদের দেহের পুষ্টির চাহিদা অনায়াসেই পূরণ হবে।

নতুন উদ্ভাবিত এই ভুট্টা বছরে চারবার চাষ করা যাবে। এসময় কৃষকদের এই ভুট্টা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি কুলাউড়া উপজেলার ভুট্টা চাষিসহ সফল কৃষকদের মাঝে ভুট্টার বীজ বিতরণ করেন।

ড. আবেদ চৌধুরী কৃষি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের দেশে বিজ্ঞানের কারণে কৃষির উৎপাদন বেড়েছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো যেভাবে জমির উর্বরা অংশ ইটভাটায় নেয়া হচ্ছে, মিল ফ্যাক্টরি করে ধানী জমিকে ধ্বংস এবং নগরায়ন করা হচ্ছে তাতে কৃষি বিভাগ আগামীতে হুমকির মুখে পড়বে। কৃষিকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে, সেই সাথে নতুন জাতের উদ্ভাবন করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসম কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও কৃষি অফিসার জগলুল হায়দারের সঞ্চালনায় উপস্থিত রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।






Related News

Comments are Closed