Main Menu

তামাবিল দিয়ে কয়লা আমদানি বন্ধ, বিপাকে আমদানিকারকরা

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে হঠাৎ করে কয়লা আমদানী বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন কয়লা আমদানীকারক ও শ্রমিকরা।

তামাবিল শুল্ক স্টেশন কর্তৃপক্ষ ও আমদানিকারক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ১৫ জানুয়ারী কয়লা উক্তোলনের ওপর ভারতের আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে বুধবার সকাল থেকে তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে কয়লা আমদানি হচ্ছে না। এর আগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ১ জানুয়ারী থেকে তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে কয়লা আমদানি শুরু হয়। কিন্ত মঙ্গলবার ভারতীয় আদালতের নিষেধাজ্ঞার ফলে মাত্র ১৫ দিনের মাথায় আবারো বন্ধ হয়ে পড়ে কয়লা আমদানী। কয়লা আমদানি না হওয়ায় প্রতিদিন সরকারের প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয় বলে শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে কয়লা আমদানি বন্ধ থাকার কারণে আমদানিকারকরা ব্যবসায়িরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এছাড়া প্রায় ৪/৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন।
কয়লা ও পাথর আমদানীকারকরা জানান, পরিবেশ বিপর্যয় হচ্ছে বলে ভারতীয় বন বিভাগ পাথর উত্তোলন ও রপ্তানীর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এ কারণে পাথর ও কয়লা আমদানিতে জটিলতা দেখা দিয়েছে।

তামাবিল কয়লা আমাদানীকারক সমিতির যুগ্ন সম্পাদক ইলিয়াস উদ্দিন লিপু জানান, ভারত থেকে কয়লা আমদানির জন্য গত ১৫দিনে ব্যবসায়ারী প্রায় ২০০ কোটির বেশি এলসি করেছেন। এরমধ্যে অনেক আমদানীকারক ব্যাংক লোন নিয়ে আমদানি ব্যবসা করায় প্রতিদিনই ব্যাংকের সুদ গুনতে হচ্ছে।

এদিকে তামাবিল শুল্ক স্টেশনে কয়লা লোড-আনলোড কাজে নিয়োজিত ৪/৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। কয়লা শ্রমিক আবদুর রহিম বলেন, ‘আমদানি বন্ধ। তাই কামও নাই। বাচ্চা-কাচ্ছা নিয়া বড় বিপদে আছি।

এ ব্যাপারে তামাবিল স্থল শুল্ক স্টেশনের সুপারিনটেনডেন্ট নুরুল ইসলাম বলেন, বুধবার সকাল থেকে কয়লা রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। এ ব্যাপারে তাঁরা আমাদেরকে কোন চিঠি দেয়নি। তবে কবে আবার আমদানি শুরু হবে এ ব্যাপারে সঠিক কিছু বলতে পারছি না। তিনি জানান কয়লা আমদানি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন সরকারের প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হবে।






Related News

Comments are Closed