Main Menu

উন্নত দেশ গঠনে অর্থনৈতিক কূটনীতি গ্রহণ করেছি : মোমেন

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন উন্নত দেশ গঠনে অর্থনৈতিক কূটনীতি গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে সোনার বাংলা গড়তে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর আমি ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর আস্তা ও বিশ্বাসের মর্যাদা যাতে আমি রক্ষা করতে পারি সে জন্য আমি সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) বিকালে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন এমপি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে সিলেট ফেরার পর সিলেট চেম্বার অব কমার্সের উদ্যোগে সর্বপ্রথম এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিপুল ভোটে তাকে নির্বাচিত করার জন্য সিলেটবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গত দশ বছরের উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি জনমনের যে প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে তারই ধারাবাহিকতায় দেশের মানুষ আবারও শেখ হাসিনার দলকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছে।

তিনি বলেন, মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণে শান্তিময়, স্থিতিশীল সোনার বাংলা অর্জনে আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা চাই। তিনি বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত আব্দুস সামাদ আজাদ, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর স্মৃতি স্মরণ করে বলেন তাদের উত্তরসূরি হিসেবে আমি যেন সফল হতে পারি, দেশ ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি সেজন্য আমি সবার সহযোগিতা চাই।

এসময় মোমেন আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে বিশাল এই দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। আমি দায়িত্ব নিয়ে দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের স্বার্থে অর্থনৈতিক কূটনীতি গ্রহণ করেছি। আমরা দেশকে সমৃদ্ধ, উন্নত ও মর্যাদাশীল আসনে নিয়ে যেতে চাই। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালের মধ্যে সব সূচকে উন্নত ও ২০৪১ সালে বঙ্গবন্ধুর সেই সোনার বাংলা গড়তে চাই। এজন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন ছাড়া আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলেই আমি ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি গ্রহণ করেছি। ২০২০ সালে জাতির জনকের শততম জন্মবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্ধশতবার্ষিকীসহ বিভিন্ন কর্মসূচী আমাদের সামনে রয়েছে। তাই সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সফলতার সাথে আমার দায়িত্ব যাতে পালন করতে পারি সেজন্য আপনাদের সকলের সার্বিক সহযোগিতা আমি কামনা করি।

তিনি বলেন, বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের ৫ জন সংসদ সদস্য মন্ত্রীপরিষদে রয়েছেন। এবার সবচেয়ে বড় সুযোগ আমাদের সামনে। আশা করি বড় প্রত্যাশা অর্জনে আমরা সক্ষম হবো।

সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নগরবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আমাদের সব প্রত্যাশার কথা মাননীয় মন্ত্রীর জানা আছে। আমরা সম্মিলিতভাবে সিলেটকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবো এবং সিলেট একটি মডেল ও শান্তির নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবির, কাস্টমস, এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট সিলেট এর কমিশনার গোলাম মো. মুনীর, কর কমিশনার আবুল হান্নান দেলোয়ার হোসেন, সিলেট সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট চেম্বারের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান বিজিত চৌধুরী, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. আজবাহার আলী শেখ, পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মো. আসলাম উদ্দিন, কাস্টম্স এর যুগ্ম কমিশনার মো. মিনহাজ উদ্দিন পাহলোয়ান, যুগ্ম কর কমিশনার শাহেদ আহমদ চৌধুরী, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক সৈয়দ এফতার হোসেন পিয়ার, বিডা’র সহকারী পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ শরফুদ্দিন, সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদ আহমদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন, পরিচালক মো. হিজকিল গুলজার, জিয়াউল হক, মো. সাহিদুর রহমান, পিন্টু চক্রবর্তী, নুরুল ইসলাম, মো. ওয়াহিদুজ্জামান (ভূট্টো), মুশফিক জায়গীরদার, পরিচালক আমিরুজ্জামান চৌধুরী, এহতেশামুল হক চৌধুরী, মুকির হোসেন চৌধুরী, আব্দুর রহমান, চন্দন সাহা, ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, মো. আব্দুর রহমান (জামিল), পরিচালক হুমায়ুন আহমেদ, মুজিবুর রহমান মিন্টু, সিলেট কাস্টম্স এর সহকারী কমিশনার মো. জাকারিয়া ও মো. আহসান উল্লাহ, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমেদ সেলিম এবং প্রেস ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ ও সিলেট চেম্বারের সদস্যবৃন্দ।






Related News

Comments are Closed