Main Menu
শিরোনাম
বিশ্বনাথে ‘ধানের শীষ’র নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন         জৈন্তাপুরে শুকসারী ঘাট নির্মাণে গচ্ছা গেল ২০ লক্ষ টাকা         জাফলংয়ে ব্যবসায়ীকে হয়রানীর অভিযোগ         ধানের শীষ প্রতীক পেলেন ড. রেজা কিবরিয়া         শ্রীমঙ্গলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত         গোলাপগঞ্জে দুই ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার         সিলেটে একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতীক সিংহ         সিলেটের ৬টি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ         গোয়াইনঘাটে গরুচোরদের হামলায় নিহত ১         হবিগঞ্জে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার         পীরেরবাজারে ট্রাক চাপায় স্কুলছাত্র নিহত         গোলাপগঞ্জে যুবদল সভাপতি গ্রেফতার        

বাবাকে স্কুলে ডেকে নিয়ে অপমান, ছাত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত: ১২:৫২:০৩,অপরাহ্ন ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | সংবাদটি ২৩ বার পঠিত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বাবাকে ডেকে অপমান করায় আত্মহত্যা করেছে এক স্কুলছাত্রী। সোমবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের বাসায় আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় অরিত্রি অধিকারী (১৫) ওই কিশোরি। পরে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অরিত্রি অধিকারী ভিকারুন্নেসা স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। অরিত্রির বাবা দিলীপ অধিকারী একজন কাস্টমস (সিঅ্যান্ডএফ) ব্যবসায়ী। পরিবারের সাথে রাজধানীর শান্তিনগরে থাকতো সে। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়।

অরিত্রির বাবা দিলীপ অধিকারী জানান, অরিত্রির বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। রোববার (২ ডিসেম্বর) স্কুলে পরীক্ষার সময় তার মেয়ে মোবাইল নিয়ে গিয়েছিল। মোবাইলে নকল আছে এমন অভিযোগে ওই স্কুলের শিক্ষক সোমবার তাদের স্কুলে আসতে বলেন। সোমবার পরীক্ষার সময় অরিত্রির সঙ্গে তারা স্কুলে যান। পরে তাদের ভাইস প্রিন্সিপালের কাছে নিয়ে গেলে তারা মেয়ের নকল করার ব্যাপারে ভাইস প্রিন্সিপালের কাছে ক্ষমা চান। কিন্তু ভাইস প্রিন্সিপাল কিছু করার নেই বলে তাদের প্রিন্সিপালের রুমে যেতে বলেন। সেখানে গিয়েও তারা ক্ষমা চান। কিন্তু প্রিন্সিপালও তাতে সদয় হননি। এসময় স্কুল পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্যও ছিল। পরে তার মেয়ে প্রিন্সিপালের পায়ে ধরে ক্ষমা চাইলেও তাদের বেরিয়ে যেতে বলেন এবং পরের দিন টিসি নিয়ে আসতে বলেন। এ সময় আমি মেয়ের সামনেই কেঁদে ফেলি। অরিত্রি হয়তো আমার ওই কান্না-অপমান মেনে নিতে পারেনি।

অরিত্রির বাবার অভিযোগ, প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করায় তার মেয়ে দ্রুত বাসায় চলে যায়। বাসায় ফিরে সে তার ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। বাহির থেকে অনেক ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায়, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করি। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান বলেন, সুরতহাল করে অরিত্রির লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যু কারণ জানা যাবে।

ময়নাতদন্ত সম্পন্ন শেষে ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে মেয়েটি গলায় ফাঁস দিয়েছে। তার গলায় দাগ ছিল। তার ‘নেক টিস্যু’ সংগ্রহ করা হয়েছে, তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

সুত্র : বাংলাদেশ জার্নাল






Related News

Comments are Closed