Main Menu
শিরোনাম
সুনামগঞ্জ সফরে ভারতীয় হাই কমিশনার         বিশ্বনাথে মেছো বাঘ আটক         ছাতকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাথীদের বিদায়ী অনুষ্টান         জৈন্তাপুরে ট্রাক চাপায় শিশু নিহত, অাহত ৫         ছাতকে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু         লাউড় রাজ্যের রাজবাড়িতে প্রত্নতত্ব অধিদপ্তরের উৎখনন         সিলেটে মাজার জিয়ারতে স্পিকার শিরীন শারমিন         সুনামগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ’র পতাকা বৈঠক         জাফলংয়ে ভারতীয় তীর খেলার বইসহ আটক ২         কমলগঞ্জে চার খাবার হোটেলে জরিমানা         প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদকের মুক্তির দাবিতে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন         হবিগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ডাকাতি        

ইবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের সাথে ওএমআরের অমিল

প্রকাশিত: ৬:৩১:৪০,অপরাহ্ন ০৫ নভেম্বর ২০১৮ | সংবাদটি ১৭ বার পঠিত

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভর্তি পরীক্ষায় ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ‘সি’ ইউনিটের প্রশ্নপত্রের সাথে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) শীটের অমিলের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১ম শিফটের পরীক্ষায় এ অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে।

পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের প্রশ্নপত্রে ৪ বিষয়ের মানবন্টন রয়েছে। এতে প্রথমে ১ থেকে ৩০ টি প্রশ্ন ইংরেজি, দ্বিতীয়তে ৩১ থেকে ৪৫ ব্যবসায় শিক্ষা, তৃতীয়তে ৪৬ থেকে ৬০ হিসাববিজ্ঞান এবং চতুর্থতে ৬১ থেকে ৮০ পর্যন্ত লিখিত প্রশ্ন। কিন্তু ওএমআর শীটের ক্রমবিন্যাসে ছিলো অমিল। সেখানে যথাক্রমে ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও লিখিত প্রশ্ন অংশ ছিল। ফলে প্রশ্নপত্রে যেখানে ব্যবসায় শিক্ষা ওএমআরে সেখানে হিসাববিজ্ঞান এবং প্রশ্নে যেখানে হিসাববিজ্ঞান ওএমআরে সেখানে ব্যবসায় শিক্ষা হয়েছে। এছাড়া প্রশ্নপত্রে ক্রমিক নম্বর ১ থেকে ৮০ থাকলেও ওএমআর শীটে লিখিত অংশের আলাদা ক্রমিক (১ থেকে ২০) ব্যবহার করা হয়েছে। এতে অনেক শিক্ষার্থী দ্বিধান্বিত হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। প্রশ্নপত্রের সাথে ওএমআর শীটের এমন অসঙ্গতিতে শিক্ষার্থীরা তাদের ফল ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করছে। যদিও হল পরিদর্শকের পক্ষ থেকে পরে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী ঝিনাইদহ থেকে আসা পূর্ণিমা। তিনি অনুষদ ভবনে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। তিনি জানান, ‘আমাদের কক্ষে আমি এরকম নির্দেশনা পাইনি। তাহলে তো আমার রেজাল্ট আসবে না। এখন আমি কি করব! আমি এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।’

রংপুর থেকে আসা মেহেদী হাসান বলেন, ‘অনুষদ ভবনে আমার পরীক্ষা ছিল। আমি এমন নির্দেশনা পাইনি। প্রশ্নপত্র অনুযায়ী আমি উত্তর করেছি। এখন রেজাল্ট নিয়ে আমি শঙ্কায় আছি।’

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হলে তারা জানান প্রশ্নের সাথে ওএমআর শীটের কিছুটা অসঙ্গতির কথা আমরা শুনেছি। বিষয়টি গুরুতর নয়। খাতা মূল্যায়নে কোন সমস্যা হবেনা।

‘সি’ ইউনিট সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. অরবিন্দু সাহা বলেন, ‘একটু মুদ্রণত্রæটি হয়েছিল। যথাসময়ে ইন্সট্রাকশন দিয়ে ঠিক করে দিয়েছি।’ শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে বঞ্চিত না হয় আমরা সেদিকে লক্ষ্য রাখব। তারা যদি অভিযোগ করে তাহলে প্রয়োজনে আমরা ম্যানুয়ালিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’






Related News

Comments are Closed