Main Menu
শিরোনাম
সুনামগঞ্জ সফরে ভারতীয় হাই কমিশনার         বিশ্বনাথে মেছো বাঘ আটক         ছাতকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাথীদের বিদায়ী অনুষ্টান         জৈন্তাপুরে ট্রাক চাপায় শিশু নিহত, অাহত ৫         ছাতকে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু         লাউড় রাজ্যের রাজবাড়িতে প্রত্নতত্ব অধিদপ্তরের উৎখনন         সিলেটে মাজার জিয়ারতে স্পিকার শিরীন শারমিন         সুনামগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ’র পতাকা বৈঠক         জাফলংয়ে ভারতীয় তীর খেলার বইসহ আটক ২         কমলগঞ্জে চার খাবার হোটেলে জরিমানা         প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদকের মুক্তির দাবিতে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন         হবিগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ডাকাতি        

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ বিতর্ক, লাবণী বিবাহিত!

প্রকাশিত: ১০:৫৫:০২,অপরাহ্ন ১৩ অক্টোবর ২০১৮ | সংবাদটি ৩৩ বার পঠিত

বিনোদন ডেস্ক: গতবারের মতো এবারও বিতর্ক ছাড়েনি ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার আসরকে। এবার বিতর্ক তৈরি করেছেন আফরিন সুলতানা লাবণী। এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় সেরা দশে জায়গা করে ‘বিহেভিয়ার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন তিনি।

দ্বিতীয়বারের মতো ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতা উপলক্ষে আয়োজক সংস্থা অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী গত ১৬ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমকে বলেন, এবার যদি কোনো প্রতিযোগী মিথ্যা তথ্য দেন কিংবা তথ্য গোপন করেন, পরে তা প্রমাণিত হলে সেই প্রতিযোগীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। গত বছর মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারণে বিভ্রান্তি হয়েছিল। এবার কেউ মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিবাহিত বা সন্তানের মা হয়েছেন- এমন কেউ অংশ নিতে পারেন না। কিন্তু ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭’ প্রতিযোগিতায় জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল তথ্য গোপন করে। পরে বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাকে বাদ দিয়ে প্রতিযোগিতার প্রথম রানারআপ জেসিয়া ইসলামকে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ ঘোষণা করা হয়। জানিয়েছিল, এরপর থেকে যদি কোনো প্রতিযোগী মিথ্যা তথ্য দেন কিংবা তথ্য গোপন করেন আর পরে তা প্রমাণিত হয়- তাহলে সেই প্রতিযোগীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে।

কিন্তু এবারও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো। প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার সপ্তাহখানেক পরই জানা গেল, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা ‘বেস্ট বিহেভিয়র’ অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত আফরিন সুলতানা লাবণী তার বিয়ের তথ্য গোপন করেছেন। শুধু তাই নয়, এই প্রতিযোগীর বিরুদ্ধে তার সাবেক স্বামীর মামলাও আছে। গণমাধ্যমে তাদের বিয়ের কাবিননামা ও কাগজপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

সাবেক স্বামী আতাউর রহমান আতিকের সঙ্গে আফরিন সুলতানা লাবণী। ছবি: সংগৃহীত

এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় ৩০ হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হন পিরোজপুরের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। তবে ঐশীর চেয়ে এবারের আসরে বেশ আলোচনায় লাবণী ও অনন্যা। তাদের মধ্যে লাবণীকে নিয়ে বেশি আলোচনা হয়। গ্র্যান্ড ফাইনালে ‘তিনটি উইশ’ নিয়ে বিচারক ইমির প্রশ্নের হাস্যকর উত্তর দিয়েছিলেন লাবণী। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে ব্যাপক ট্রল হয়।

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার প্রথম আসরে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলকে নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, দ্বিতীয় আসরেও সেই একই বিতর্ক তৈরি করলেন লাবণী।

কাবিননামা সূত্রে জানা যায়, লাবণীর সাবেক স্বামী জামালপুর সদরের বাগেরহাটা কলেজ রোডের বাসিন্দা আতাউর রহমান আতিক। আতিক পেশায় ব্যবসায়ী, পাশাপাশি কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েও কাজ করেছেন তিনি।

আতিকের দাবি, ২০১৪ সালের ১৮ আগস্ট আদালতে গিয়ে লাবণীকে বিয়ে করেন তিনি। ২০১৬ সালের ১৭ মে তাদের তালাক হয়। এরপর লাবণীর বিরুদ্ধে চুরির মামলা করেন তিনি। বর্তমানে মামলার বিচারকার্য এখনো চলছে।

আতাউরের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের শেষের দিকে লাবণীর সঙ্গে পরিচয়ের একপর্যায়ে প্রেম হয়। লাবণী তখন ইডেন কলেজে পড়তেন আর আতাউর তখন ঢাকায় থাকতেন। ভালোবেসে লাবণীকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। লাবণীর মায়ের চিকিৎসা এবং লাবণীর পেছনে প্রচুর টাকা খরচ করেছেন তিনি। সে সময় রাজধানীর চকবাজারে সামসুল হক টাওয়ারে লাবণীর নামে আতাউরের দুটি দোকান থাকলেও এখন আর নেই বলে জানান আতাউর।

আতাউরের অভিযোগ, লাবণী আমার অনেক টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। ওর নামে চুরির মামলাও করেছি। মামলার এখন চার্জশিট হচ্ছে। এখন সে ছাত্রলীগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ২০১৬ সালের মামলা ২০১৮ সাল পর্যন্ত নিয়ে এসেছে।

মামলার বিষয়ে জামালপুর সদর থানায় যোগাযোগ করা হলে লাবণী ও আতিকের বিয়ের বিষয়টি শোনেছেন বলে জানান থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান।

ওসি বলেন, মেয়েটি (লাবণী) ও আতিকের বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছিল।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোহেল সিদ্দিকের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে লাবণীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে লাবণীর পরিবার থেকে। তার বাবা আবদুল করিম মেয়ের বিয়ে ও তালাকের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।






Related News

Comments are Closed