Main Menu
শিরোনাম
বিএনপি প্রার্থীর গাড়িবহর থেকে ১৫ নেতাকর্মী আটক         ড. মোমেনের নির্বাচনী কার্যালয় ও প্রচার গাড়িতে হামলার অভিযোগ         অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ইলিয়াসপত্নী লুনা         কুলাউড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান কমরু গ্রেপ্তার         সিলেটে ৩০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন         সুনামগঞ্জে ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন         বিশ্বনাথে অটোরিকশা চালক হত্যার ঘটনায় মামলা         বিশ্বনাথে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি বাড়িয়েছে শীতের অনুভূতি         দিরাইয়ে আ’লীগের ৩শ’ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান         স্কুলের ফ্লোর ধ্বসে শিক্ষকসহ ২০ শিক্ষার্থী আহত         লোভাছড়া পাথর কোয়ারীতে প্রশাসনের অভিযান         ছাতক ও বড়লেখায় তিন জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার        

ভারতে সালাউদ্দিনের মামলার রায় ২৮ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত: ১১:৩৬:৪৫,অপরাহ্ন ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | সংবাদটি ৭০ বার পঠিত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগ এনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে করা মামলায় রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর।

ভারতের শিলংয়ের একটি আদালত আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন। চলতি বছরের ১৩ আগস্ট মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়। এর পর থেকেই রায়টি অপেক্ষমান রাখেন আদালত।

এরই মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমেদ আদালতকে জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে মার্চে তাকে ঢাকার উত্তরার বাসা থেকে অপহরণ করা হয়। এর প্রায় দুই মাস পর কে বা কারা তাকে শিলংয়ে ফেলে রেখে যায়। আদালতে তিনি অনুপ্রবেশের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ ঘটনায় এক মাস পর ২০১৫ সালের ১১ মে মাসে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে মেঘালয় রাজ্যের শিলং পুলিশ। প্রায় সাড়ে তিন বছর বিচারকাজ চলার পর ২৮ সেপ্টেম্বর রায় দিতে যাচ্ছেন আদালত।

আদালত সূত্রের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রায়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ তার ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

তবে আদালত ন্যায়বিচার করে রায় দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।

তার আইনজীবী এ পি মহন্তে বলেন, ‘এ ধরনের মামলার কার্যক্রম শেষ হতে এত সময় লাগার বিষয়টি ‘বিরল’। আশা করি তিনি ন্যায়বিচার পাবেন। আদালতকে সবকিছু স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠনের পর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এপিএস হন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এরপর প্রশাসনের চাকরি ছেড়ে তিনি রাজনীতিতে আসেন।

২০০১ সালে তিনি কক্সবাজার থেকে সাংসদ নির্বাচিত ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ভারতে আটককালে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পদে দায়িত্বরত ছিলেন এবং আটক থাকা অবস্থায় বিএনপির ষষ্ঠ কাউন্সিলে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের সদস্য মনোনীত করা হয় সালাউদ্দিন আহমমেকে।






Related News

Comments are Closed