Main Menu
শিরোনাম
কুলাউড়ায় পেট্রোলের গোডাউনে আগুন, ৭ লাখ টাকার ক্ষতি         সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ’র মিটার রিডাররা কর্মবিরতিতে         বিশ্বনাথে শিশু অপহরণের চেষ্ঠা, আটক ১         সুনামগঞ্জ-১ আসনে কোন্দলে আ’লীগ, বিএনপিতে প্রার্থীজট         শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু আজ         বিশ্বনাথে পরিবহন শ্রমিক-জাপার মধ্যে উত্তেজনা         কানাইঘাটে খাসিয়ার গুলিতে নিহত মামুনের দাফন সম্পন্ন         ঘাতক শফিকের ফাঁসি চায় স্কুলছাত্রী রুমির পরিবার         বালাগঞ্জে যুবদল নেতা গ্রেফতার         শশুরবাড়িতে গায়ে আগুন লাগিয়ে জামাতার আত্নহত্যা         বিশ্বনাথে এমপি এহিয়ার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল         কানাইঘাটে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশী যুবক নিহত        

মহান শিক্ষা দিবস: ছিন্ন করতে হবে বৈষম্যের বেড়াজাল

প্রকাশিত: ১২:১৬:৪২,অপরাহ্ন ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | সংবাদটি ১৩১ বার পঠিত

অধ্যাপক জ্যোতিষ মজুমদার: মানুষের মধ্যে যে সমস্ত গুণাবলী রয়েছে শিক্ষা সেগুলিকে বিকশিত করে। তাই শিক্ষা জাতীয় উন্নতি ও অগ্রগতির প্রধান বাহক। আর এজন্যই শিক্ষাকে জাতির মেরুদন্ড বলে আখ্যায়িত করা হয়। অগ্রসরমান চিন্তা এবং দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভবিষ্যতের দিকে তাকালে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত বিষয়গুলোর মধ্যে শিক্ষাকে অবশ্যই তালিকার শীর্ষে স্থান দিতে হবে।
স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের ক্ষমতা দখলের পর ১৯৫৯ সালে তৎকালীন শিক্ষা সচিব এস. এস. শরিফকে চেয়ারম্যান করে “জাতীয় শিক্ষা কমিশন” গঠন করে। এই কমিশন পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর লক্ষ্য ও স্বার্থের প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি জনবিরোধী শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে। এই কমিশনে শিক্ষা বিষয়ে যেসব প্রস্তাবনা ছিল, তা প্রকারান্তে শিক্ষা সংকোচনের পক্ষেই গিয়েছিল। এই তথাকথিত “জাতীয় শিক্ষানীতি”তে যেসব বিষয় সুপারিশ করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে- (১) শিক্ষাকে ব্যয়বহুল পণ্যে পরিণত করা, (২) শুধু উচ্চবিত্তের সন্তানদের স্বার্থে উচ্চ শিক্ষা সীমিত করা, (৩) অবৈতনিক শিক্ষার ধারণাকে “অবাস্তব কল্পনা” বলে উল্লেখ করা, (৪) উর্দুর্কে জনগণের ভাষায় পরিণত করা, (৫) সা¤প্রদায়িকতাকে কৌশলে জিইয়ে রাখার চেষ্টা, (৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্বশাসনের পরিবর্তে পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, (৭) বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা, (৮) ছাত্র শিক্ষকদের কার্যকলাপের উপর তীক্ষè নজর রাখার প্রস্তাব করা।
আইয়ুব সরকার এই রিপোর্টের সুপারিশ গ্রহণ করে এবং ১৯৬২ সাল থেকে তা বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা শুরু করে। এসব বিষয় ছাত্র সমাজ ও সচেতন মহলকে দারুণভাবে বিক্ষুদ্ধ করে তুলে।
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারির পর সব রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠনসহ সব সাংস্কৃতিক সামাজিক সংগঠনের কর্মকান্ড বেআইনী ঘোষনা করে সব ধরণের মৌলিক মানবাধিকার ও ন্যায় বিচারের সুযোগ কেড়ে নেয়া হয়। এক কথায় নির্যাতনের ষ্টীম রোলার চালানো হয়। এরই মধ্যে ১৯৬০ সালে ছাত্র ইউনিয়ন এবং ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ গোপন যোগাযোগের মাধ্যমে আন্দোলন গড়ে তোলার প্রচেষ্ঠা শুরু করেন। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন আইয়ুব খানের এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী হরতাল, কর্মসূচী পালনের ঘোষণা দেয়া হয়। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষার দাবীতে ওই হরতাল অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করে। এদিকে সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার মানুষ সমাবেশে উপস্থিত হন। সমাবেশ শেষে মিছিল বের করা হয়। আন্দোলন দমাতে সামারিক জান্তা লেলিয়ে দেয় পুলিশ বাহিনী। তারই একপর্যায়ে মিছিলে লাঠিচার্জ, কাঁদনে গ্যাস ও গুলিবর্ষণ করে। এতে মোস্তফা, বাবুল, ওয়াজিউল্লাহ প্রমুখ শাহিদ হন। ছাত্র জনতার ব্যাপক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আইয়ুব সামরিক শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দেয়। বাষট্টির অপ্রতিরোধ্য ছাত্র আন্দোলনের মুখে সামরিক শাসক আইয়ুব খান পিছু হঠতে বাধ্য হয় এবং তথাকথিত “জাতীয় শিক্ষানীতি” বাতিল করে। ছাত্র জনতার ব্যাপক গণআন্দোলনের রক্তাক্ত স্মৃতি বিজড়িত এই দিন আমাদের জাতীয় শিক্ষা দিবস।
১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবসের যে লক্ষ্য ও তাৎপর্য তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও এম.পি.ও ভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ সীমাহীন বৈষম্য ও বঞ্চনার বেড়াজাল থেকে আজও মুক্ত হতে পারেন নি। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হবার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষম একটি শিক্ষানীতি প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. কুদরত-এ-খুদার নেতৃত্বে শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি শিক্ষা-কমিশন গঠন করেন। কারণ বঙ্গবন্ধু জানতে দেশের শিক্ষক সমাজকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়া না হলে দেশ ও জাতির উন্নতি সম্ভব নয়। তাই ১৯৭৩ সালে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যায়লকে একযোগে জাতীয়করণ করেন। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক ও সার্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়ে গেলে উক্ত কমিশন আর আলোর মুখ দেখেনি।
বাংলাদেশকে বিশ্বমানে উত্তীর্ণ করার জন্য সরকার এবং বিরোধী দল বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বক্তব্য প্রদান করেন। বিগত ২০১০ সালেরর ১২ মে চীনমৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এবং ২০১২ সালে ১৯ জানুয়ারি ইঞ্জিনিয়ারর্স ইন্সটিটিউশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষনা দিয়েছিল তার দল ক্ষমতায় গেলে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ করবেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও পিতার পদাংক অনুসরণ করে ২০১৩ সালের ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় করণের ঘোষণা করেন। প্রাথমিক শিক্ষায় ইতিহাসে যা একটি মাইলফলক ঘটনা। তিনি এও বলেছেন যে, দাবী আদায়ে শিক্ষকদের আর কখানো রাস্তায় নামতে হবে না। আমরা আশায় বুক বেধেছিলাম, কারণ শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষামন্ত্রী জনাব নূরুল ইসলাম নাহিদ বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, শিক্ষার দাবী ও অধিকার অর্জন, অসা¤প্রদায়িক চেতনা, গণতন্ত্র ও জাতীয় অধিকার প্রতিষ্ঠার সকল আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকাল আন্দোলন সংগ্রামে একজন ছাত্রনেতা হিসেবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি একজন সৎ, নিষ্ঠবান ও ত্যাগী রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সকল মহলে স্বীকৃত। তিনি একজন সুলেখকও বটে। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর লিখা, “শিক্ষানীতি ও অন্যান্য প্রসঙ্গ” নামক বইটি পড়ে একজন শিক্ষক হিসেবে গর্বে আমার বুকটি ভরে গেল। বইটিতে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী যেভাবে শিক্ষকদের সম্মানিত করেছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। শিক্ষকদের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি লিখেছেন- (১) “শিক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক উপাদান হচ্ছেন শিক্ষক। শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান করে তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে শিক্ষার উন্নয়ন সম্ভব নয়। শিক্ষকদের উপর নির্যাতন নয় বরং উনাদের প্রতি মর্যাদা ও সম্মান এবং আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাদের কাজের পরিবেশ সৃষ্টি এবং পেশায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে হবে। (পৃষ্ঠা- ৬৮)”। (২) “শিক্ষা কোন দলীয়, স¤প্রদায়গত, গোষ্ঠীগত বা আঞ্চলিক বিষয় নয়। শিক্ষাকে সবকিছুর উর্ধ্বে স্থান দিয়ে দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষম এবং বর্তমান বিশ্বমানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলে আমাদের নতুন প্রজন্মকে যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম করে তুলতে হবে (পৃষ্ঠা- ১১৭)”। (৩) “একুশে থেকে শুরু করে সকল সংগ্রামে আমাদের একটি অন্যতম লক্ষ্য ছিল সকলের জন্য শিক্ষার অধিকার সুযোগ প্রতিষ্ঠা এবং একটি গণমুখী, অসা¤প্রদায়িক ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা (পৃষ্ঠা- ২৪)”। (৪) “শিক্ষকদের জন্য পৃথক চাকরিবিধি, পৃথক বেতনস্কেলের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষকতা পেশায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করার জন্য সাধ্যমত আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে (পৃষ্ঠা-১৫৫)”।
২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর ঘোষিত জাতীয় বেতন কাঠামোতে প্রথমবারের মতো বাংলা নববর্ষ ভাতা ২০% চালু করা হয়। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের পাশাপাশি বেশকিছু বেসরকারি খাতও এগিয়ে এসেছে বাংলা নব বর্ষের ভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়ায়। বেসরকারি (এমপিওভুক্ত) শিক্ষক কর্মচারীগণ জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভূক্ত হওয়ায় নীতিগতভাবেই বেতন স্কেলের সব নির্দেশণা ও সুবিধা এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ পাওয়ার অধিকার রাখে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আজ পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ বৈশাখী ভাতা ও ৫% ইনক্রিমেন্ট পাচ্ছেন না। সমাজের একটি অংশকে এভাবে বঞ্চিত রেখে বাংলা নববর্ষ উদযাপন মোটেই সঠিক নয় বরং অমানবিক।
সরকার এমপিও নীতিমালা-২০১৮ জারী করেছে। এ নীতিমালায় শিক্ষক সমাজকে বিশেষ কলেজ শিক্ষকদের চরমভাবে হতাশ ও ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। যেমন: (১) এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো-২০১০ অনুযাযী প্রভাষক পদে ৮ বছর পূর্তিতে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি করা হত অনুপাত প্রথা (৫ঃ২) নামক কাল প্রথার মাধ্যমে এবং পদোন্নতি বঞ্চিতদের ৯ম গ্রেড থেকে ৭ম গ্রেডে উন্নীত করা হত একই সাথে, কিন্তু জনবল কাঠামো-২০১৮ অনুযায়ী ৭ম গ্রেডে উন্নিত হতে হলে একজন প্রভাষককে প্রভাষক পদে এমপিও ভুক্তির তারিখ হতে ১৬ বছর অতিক্রম করতে হবে। (২) জনবল কাঠামো-২০১০ অনুযায়ী একজন প্রভাষক সহকারি অধ্যাপক পদে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ / স্নাতক কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারতেন, কিন্তু জনবল কাঠামো- ২০১৮ অনুযায়ী উক্ত পদে আবেদন করতে হলে সহকারি অধ্যাপক পদে কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা সহ ১২ বছরের শিক্ষকতায় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অর্থাৎ যিনি অনুপাত প্রথার কারণে সহকারি অধ্যাপক হতে পারলেন না, তিনি অধ্যক্ষ পদে অযোগ্য হয়ে গেলেন। (৩)আবার জনবল কাঠামো-২০১০ অনুযায়ী প্রভাষক/সহকারি অধ্যাপক পদে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে স্নাতক পর্যায়ে কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারতেন, কিন্তু জনবল কাঠামো-২০১৮ অনুযায়ী উক্ত পদে আবেদন করতে হলে উপাধ্যক্ষ/সহকারি অধ্যাপক পদে ৩ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে যিনি অনুপাত নামক কালো প্রথার কারণে সহকারি অধ্যাপক হতে পারেন নাই তিনি কোন অপরাধে অধ্যক্ষ পদে অযোগ্য হবে। (৪) জনবল কাঠামো-২০১০ অনুযায়ী সহযোগী অধ্যাপক পদ সৃষ্টির কথা থাকলেও ২০১৮ অনুযায়ী উক্ত পদ বাতিল করা হয়েছে।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ৯৭ ভাগ দায়িত্ব পালন করেন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ। শিক্ষার মূল কারিগর হলেন শিক্ষক সমাজ। তাদের যেসব সুযোগ-সুবিধা ছিল তাও যদি কেড়ে নেয়া হয় তাহলে শিক্ষকদের মনে ক্ষোভ ও হতাশা জন্ম নেবে। ফলে শিক্ষার সার্বিক পরিবেশ বিঘিœত হবে।
১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবসের যে লক্ষ্য ও তাৎপর্য তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। দিন বদলের সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রসৈনিক শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল কলা-কৌশলীদের প্রতি সবিনয় অনুরোধ বেসরকারি শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানে জাতীয় করণের ব্যবস্থা দ্রæত গ্রহণ করুন। তবেই কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

লেখক : সহকারি অধ্যাপক, ইছামতি ডিগ্রী কলেজ, জকিগঞ্জ, সিলেট।

 






Related News

Comments are Closed