Main Menu
শিরোনাম
দেশের সকল জেলার মহাসড়ক চার লেন হচ্ছে         কমলগঞ্জে চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা         কোম্পানীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে যুবক খুন         দক্ষিন সুরমায় রিক্সাচালককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১         গোয়াইনঘাটে বাড়ির সীমানা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১         বিশ্বনাথে বিএনপি নেতা ফয়জুর রহমানের ইন্তেকাল         শমশেরনগরে রেলওয়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান         বিশ্বনাথে ৯টি ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে জরিমানা         বালাগঞ্জে ডাকাতি, গৃহকর্তাসহ আহত ৪         কমলগঞ্জে আবেদনের ৫ মিনিটেই বিদ্যুৎ সংযোগ         বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল সিটি হবে সিলেট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী         বিশ্বনাথে ভারতীয় মদসহ আটক ১        

বিশ্বনাথে দুধের খামার করে সফল কিসমত

প্রকাশিত: ৭:৪২:৩৩,অপরাহ্ন ২৮ আগস্ট ২০১৮ | সংবাদটি ২১১ বার পঠিত

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে গাভীর দুধের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দুধের সংকট থাকায় চাহিদা অনুযায়ী দুধ পাচ্ছেন না অনেকেই। উপজেলা শহরে কিছু দোকানে গাভীর দুধ পাওয়া গেলেও চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। ফলে অনেক পরিবারের লোকজন দুধ খাওয়া থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

৮টি ইউনিয়ন ও ৪৩৬টি গ্রাম নিয়ে গঠিত প্রবাসী অধুষ্যিত বিশ্বনাথ উপজেলা। এই উপজেলায় হাতে গোনা কয়েকটি ডেইরী ফার্ম রয়েছে। যে ফার্মগুলো মানুষের চাহিদা মেটাতে পারছেনা। উপজেলা শহরের একটি দোকানে গাভীর দুধ পাওয়া গেলেও নিদিষ্ট ক্রেতা ছাড়া অন্য ক্রেতারা দুধ ক্রয় করতে পারেন না। এমন অবস্থা হচ্ছে দুধ সংকটের কারণে।

উপজেলায় দুধের চাহিদা মেটাতে নিজের বাড়িতে ডেইরী ফার্ম করেছেন জানাইয়া গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা আকবর হোসেন কিসমত। তিনি বিশ্বনাথ নতুনবাজারের একজন ব্যবসায়ী। প্রথমে তিনি একটি গাভী ক্রয় করেন। একটি গাভীর দুধ থেকে চলত তার পরিবার। ওই গাভীর দুধে পরিবারের যোগান দিয়েও ৭/৮ লিটার দুধ বিক্রি করতে পারতেন তিনি। এতে তার দুধ খাওয়ার পরেও কিছু দুধ বিক্রি করে প্রতিদিন আয় হত কমপক্ষে ২৫০-৩০০ টাকা। আয় হওয়ায় ধীরে ধীরে তিনি গাভীর সংখ্যা বাড়াতে থাকেন। বর্তমানে তার খামারে ২০টি গাভী রয়েছে। এই গাভী গুলো থেকে প্রতিদিন প্রায় ২০০ লিটার দুধ বিক্রি করেন। এতে তার খামার থেকে প্রতিমাসে সব খরচ বাদে আয় হয় ৪৫-৫০ হাজার টাকা।

আকবর হোসেন কিসমত পরিচালিত আল-হোসাইন ডেইরী ফার্মে বর্তমানে তিনজন শ্রমিক নিয়মিতভাবে কাজ করছেন। তিন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হওয়ায় খুশি শ্রমিকেরা। তারা বলেন, আমরা এই খামারে কাজ করে আমাদের পরিবার চলছে ভালভাবে।

সরেজমিনে আল-হোসাইন ডেইরী ফার্মে গিয়ে দেখা গেছে, আধুনিক প্রদ্ধতিতে করা গাভী রাখার ঘর। পৃথক পৃথক স্থানে রাখা হয়েছে ঘাসসহ গরুর খাবার। তিনজন শ্রমিক কাজ করছেন গুছালোভাবে। খামারের পাশেই রয়েছে শ্রমিকদের থাকার ঘর। সেই ঘরে গুছালোভাবে রাখা হয়েছে গুখাদ্য। শ্রমিকদের দেখার জন্য রাখা হয়েছে টেলিভিশন।

আকবর হোসেন কিসমত সাংবাদিকদের জানান, বিশ্বনাথে দুধের চাহিদা বেশী থাকায় খামার বড় করেছেন। প্রতিদিন ২০০ লিটার দুধ বিক্রি করে ভাল আয় করছেন। তিনি বলেন, এই খামার আরো বড় করে দুধের চাহিদা মেটাতে তার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।






Related News

Comments are Closed