Main Menu
শিরোনাম
ছাতকে অজ্ঞান করে সাংবাদিকের বাসায় চুরি         কমলগঞ্জে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার         গোলাপগঞ্জে ঘরের ভেতর মাছ চাষ পদ্ধতির উদ্বোধন         শাবির টিলায় শিশু ধর্ষণের চেষ্টা, লম্পট আটক         নবীগঞ্জে ভারতীয় নাসির বিড়িসহ গ্রেফতার ১         শাহ মাদার (র:) মাজারে ওরস ২৬ জানুয়ারী         কুলাউড়ায় অবৈধভাবে পাহাড় কাটায় জরিমানা         সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ৪         জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হবেন যারা         সিলেট সিক্সার্সের খেলা দেখতে মাঠে মুহিত         সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন         প্রতীকের আত্মহত্যা: পরিবারকে দুষলেন শাবি ভিসি        

ছাতকে আমন ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

প্রকাশিত: ১১:১০:৫৩,অপরাহ্ন ১৮ আগস্ট ২০১৮ | সংবাদটি ১৫৬ বার পঠিত

কামরুল হাসান সবুজ, ছাতক থেকেঃ সুনামগঞ্জের ছাতকে কৃষকরা আমন ধান রোপনে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভাদ্র মাসই আমন ধান রোপনের উপযুক্ত সময়। ভাদ্র মাসের তীব্র তাপদহ উপেক্ষা করেই সারাদিন মাঠে কাজ করছেন কৃষকরা। উপজেলার প্রতিটি হাওর-মাঠে আমন ধান চাষাবাদ করতে কৃষকদের ব্যস্ততা এখন বেড়ে গেছে।
গত বছর আমন মৌসুমের শুরুর দিকে আকস্মিক বন্যায় আমন বীজতলার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও এবার কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগের মুখোমুখি না হওয়ায় চলতি মৌসুমে বুকভরা আশা নিয়ে দিনভর মাঠে চাষাবাদের কাজ করে যাচ্ছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর আমন মৌসুমে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় প্রায় ১২ হাজার ৪শ ৯০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাওর এলাকায় কখনো রোদ আবার কখনো বৃষ্টির দেখা পাওয়ায় কৃষকরা অনেকটা স্বস্তিতেই মাঠে কাজ করছেন। জমি তৈরি, বীজতলা থেকে চারা উঠানো, বীজতলার চারা পরিচর্যা ও জমিতে ধানের চারা রোপণ কাজ দিনভর চলছে। সকাল থেকে মাঠে নামেন কৃষকরা আর সন্ধায় ফিরেন ঘরে। সবুজের মাঠে যেন প্রকৃতির এ এক অপরূপ দৃশ্য। কৃষকরা দলবেঁধে উৎসবমুখর পরিবেশে ধানের চারা তুলা ও রোপণের চিত্র যেন এখানে প্রতিদিনের দৃশ্য।
উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের একাধিক কৃষক জানান, চলতি বছর আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে এখানে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হলেও শ্রাবণের শেষ সময়ে এসে হঠাৎ করে রোদের প্রখরতা বৃদ্ধি পায়। বৃষ্টি স্বল্পতার কারণে কিছুটা কৃষি কাজে ব্যাঘাতের সৃষ্টি হয়। বিগত বছর এ সময়ে জমি থেকে পানি নামেনি। এ বছর পানির কিছুটা স্বল্পতার সৃষ্টি হয়েছে। কাজেই কৃষকরা দ্রত মাঠের কাজ শেষ করে নিতে হবে।
আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যেই উপজেলার সকল এলাকায় আমন চাষাবাদ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম বদরুল হক।
খুরমা উত্তর ইউপির মৈশাপুর গ্রামের কৃষক লালু মিয়া জানান, হঠাৎ করে রোদের প্রখরতা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সেই সাথে বৃষ্টি স্বল্পতার কারণে অনেকই সেচের মাধ্যমে জমিতে ফসল বুনতে হচ্ছে। প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর শ্রমিকদের মজুরি এখানে অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। চারা রোপনের বিঘা প্রতি শ্রমিক মজুরি ২০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানে শ্রমিক সংকট রয়েছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম বদরুল হক জানান, আগস্টের প্রথমে বন্যার শংকা থাকায় চাষাবাদে কৃষকদের মধ্যে কিছুটা ধীরতা দেখা দিয়েছিল। ইতোমধ্যে বন্যার শংকা কেটে গেছে। কৃষকরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের চারা লাগিয়েছেন। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে এবং প্রাকৃতিক দূর্যোগের মুখোমুখি না হলে ছাতকে আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদী।






Related News

Comments are Closed